২১ জুলাই, ২০২৬
ক্যালেন্ডারটা তখন ২০০৮ সালের। বার্সেলোনার এক দাতব্য উদ্যোগের অংশ হিসেবে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন সে সময়ের উঠতি তরুণ লিওনেল মেসি। তার কোলে গোসলের সময় হাসিমুখে শুয়ে আছে কয়েক মাস বয়সি এক ছোট্ট শিশু লামিন ইয়ামাল। কে জানত, সেদিন স্নানরতের ওই মুহূর্তটা ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে থাকবে!
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর সেই শিশুটিই যখন বড় হয়ে ফুটবল বিশ্বের মহাতারকা বনে গেল, ততদিনে পাল্টে গেছে অনেক কিছু। নিয়তির কী এক অদ্ভুত পরিহাস, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে এসে মুখোমুখি দাঁড়াল সেই সময়ের তরুণ মেসি আর এখনকার বিস্ময় বালক উনিশ বছরের ইয়ামাল।
টানটান উত্তেজনার সে ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয় স্পেন, আর মাঠের লড়াইয়ে রূপকথার এক বৃত্ত সম্পূর্ণ করে বিশ্বজয় করে নেন ইয়ামাল। দুই প্রজন্মের এই দুই মহাতারকার এমন অবিশ্বাস্য সংযোগকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে এবার অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছে কার্ড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান টপস।
ফেসবুক-টুইটারে রীতিমতো ঝড় তোলা সেই ছবিটিকে স্থান দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে অত্যন্ত দুর্লভ এক এবং অদ্বিতীয় ওয়ান-অব-ওয়ান ট্রেডিং কার্ড। স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ আর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের যুগলবন্দিতে কার্ডটি এখন সংগ্রাহকদের কাছে রূপকথার কোনো পবিত্র বস্তুর চেয়ে কম কিছু নয়। চলতি বছরের শেষের দিকে বাজারে আসতে যাওয়া এই বিশেষ কার্ডটি আধুনিক ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মূল্যবান স্মারক হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সূত্র: মার্কা