আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি বাতিলের প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ

২৪ জুলাই, ২০২৬

কুষ্টিয়ার খোকসায় আন্তঃ নগর বেনাপোল এক্সপ্রেস টেনের যাত্রা বাতিলের (স্টপেজ স্থগিত) প্রতিবাদে রেল লাইন অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। সাড়ে তিন ঘন্টা পর জেলা প্রশাসন ও রেল কর্মকর্তাদের আশ্বাসের পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোকসা ষ্টেশন ঘিরে এ কর্মসূচি পালিত হয়। বিক্ষোভকারী হাজার হাজার জনতা ব্যানার ফেষ্টুন নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নেন। 

কর্মসূচি চলাকালে রাজবাড়ীর পাংশায় রাজধানী থেকে রাজশাহী গামী আন্তঃ নগর মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেন ও কুমারখালী স্টেশনে রাজধানীর কমলাপুর গামী বেলাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনসহ তিনটি ট্রেন আটকা পরে। এতে কয়েকশ যাত্রী ভোগান্তীর শিকার হয়। এ সময় আন্দোলন কারীরা বেনাপোল ট্রেনের যাত্রা বিরতি বাতিলের জন্য কুষ্টিয়া ৪ আসনের জামায়াতের এমপি আফজাল হোসেন ডিও লেটার দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বক্তব্য ও স্লোগান দিতে থাকে। 

বিকাল পৌনে পাঁচ টার দিকে কুষ্টিয়া ৪ খোকসা-কুমারখালী আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেন ও খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহম্মদ আলাউদ্দিন অবরোধ কারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। সংসদ সদস্য দুই দফায় প্রায় ২০ মিনিট বক্তব্য দিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমানের চ্যালেঞ্জ ছুড়েদেন। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। আন্দোলন কারীরা ভুয়া ভুয়া বলে স্লোগান দিতে থাকে।  

সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন এবং রেলওয়ের রাজবাড়ীর সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌচ্ছান। তারা রেলওয়ের  কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন। রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আগামী সোমবারের মধ্যে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির চিঠি (আদেশ) বাতিল করে নতুন চিঠি জারির আশ্বাস দেন। পরে আন্দোলন কারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। 

রেল লাইন অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন খোকসা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনিস উজ জামান স্বপন, উপজেলা জামায়াতের আমির নজরুল ইসলাম, মনিরুজ জামান কাজল, আরিফুল আলম তসর, সেলিম রেজা, সুনাম মোরশেদ, শরিফুল ইসলাম শরিফ, খোকন হোসেন প্রমুখ।