৩০ জুলাই, ২০২৬
রাজশাহী নগরীর বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাবা-ছেলের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম রবি।
বুধবার (২৯ জুলাই) তিনি নৌকাযোগে দুর্গত পরিবারের বাড়িতে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন এবং পরিবারের খোঁজ-খবর নেন।
এ সময় তিনি নিখোঁজ পরিবারের দুই শিশু সন্তানের লেখাপড়াসহ প্রয়োজনীয় দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দেন।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বড়কুঠি এলাকায় পদ্মা নদীর মাঝামাঝি স্থানে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে যায়। এ ঘটনায় ছয়জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও আফছার আলী (৬০) ও তার ছেলে জিয়ারুল হক (৪০) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের বাড়ি রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর বালুরঘাট এলাকায়।
নিখোঁজের পর থেকে পরিবারটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের ফেরার অপেক্ষায় দিন কাটছে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের। পরিবারের উপার্জনক্ষম দুই সদস্য নিখোঁজ থাকায় ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগে রয়েছেন স্বজনরা।
এসময় পদ্মা নদীতে যাত্রী পরিবহনে নিয়োজিত ১৫ জন নৌকার মাঝির মধ্যে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ করেন তিনি।
মাঝিদের উদ্দেশে রবি বলেন, বর্তমানে পদ্মা নদীতে স্রোত অনেক বেশি। নিজেদের নিরাপত্তার পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি নৌকায় যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট রাখার আহ্বান জানান তিনি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনায় প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়।
রফিকুল ইসলাম রবি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানবিক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা হলো অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে থাকা। এই পরিবারের উপার্জনক্ষম দুই ব্যক্তি এখনো নিখোঁজ।
দুর্ঘটনার পরপরই আমি নৌকা নিয়ে উত্তাল পদ্মায় কিছু সময় তাদের সন্ধানে অংশ নিয়েছি। পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব।’
এসময় রাজশাহী মহানগর যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, নৌকাডুবির পর থেকে নিখোঁজ বাবা-ছেলের সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পরিবার ও স্বজনরা এখনো আশায় রয়েছেন, তারা জীবিত ফিরে আসবেন।