১১ আগস্ট, ২০২৬
সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর দেশের ইতিহাসে প্রথমবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হয়েছিল ১৯৯১ সালে। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০ আগস্ট আবারও প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ।
১৯৯১ সালের সেই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরী। আব্দুর রহমান বিশ্বাস পেয়েছিলেন ১৭২ ভোট। আর বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট।
পঞ্চম জাতীয় সংসদে বিএনপির ছিল ১৪০টি, আওয়ামী লীগের ৮৮টি, জাতীয় পার্টির ৩৫টি, জামায়াতে ইসলামীর ১৮টি, বাকশালের ৫টি এবং সিপিবির ৫টি আসন। এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোট, ন্যাপ, গণতন্ত্রী পার্টি, এনডিপি, জাসদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির একজন করে সদস্য ছিলেন। সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ৩০টি।
সেসময় সংসদ সদস্যদের মধ্যে ৬০ জন ভোটদানে বিরত ছিলেন। জাতীয় পার্টি নির্বাচন বয়কট করে। জামায়াতে ইসলামী ও সিপিবি ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে। বিভিন্ন দলের আরও কয়েকজন সংসদ সদস্য ভোট দেননি।
স্বতন্ত্র সদস্য নুরুল ইসলাম মনি ও মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন তখন আব্দুর রহমান বিশ্বাসকে ভোট দেন। আর গণতন্ত্রী পার্টির সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত ভোট দেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরুল হায়দার চৌধুরীকে। আওয়ামী লীগের আকতারুজ্জামান বাবু ভোট দিতে সংসদে উপস্থিত হননি।
এছাড়া ন্যাপের আব্দুল হাফিজ, ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন, এনডিপির সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, জাসদের শাহজাহান সিরাজ এবং ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ভোটদানে বিরত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ৬ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ১৩ আগস্ট। ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের সংসদ অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ।