১১ আগস্ট, ২০২৬
দলবদলের বাজার বন্ধ হওয়ার আগে স্কোয়াড ছোট করতে ব্যস্ত বার্সেলোনা। এরই মধ্যে কয়েকটি ট্রান্সফার ও ধারের চুক্তি চূড়ান্ত করেছে কাতালান ক্লাবটি। এবার বিদায়ের অপেক্ষায় আরও ছয় ফুটবলার। বিশ্বকাপ শেষে অধিকাংশ খেলোয়াড় অনুশীলনে ফেরার পর মূল স্কোয়াড গুছিয়ে নেওয়ার কাজে নেমেছে বার্সা। দলবদলের শেষ সময়ে এসে তাই কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার পালা। যাদের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নেই, তাদের পাকাপাকি কিংবা ধারে অন্য ক্লাবে পাঠানোর প্রক্রিয়াও এগিয়ে নিচ্ছে ক্লাবটি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্ত’-এর খবর, হান্সি ফ্লিকের অধীনে নিয়মিত অনুশীলন করা ছয় ফুটবলারকে এখন থেকে মূল দলের বাকিদের থেকে আলাদা করে নির্দিষ্ট ফিটনেস অনুশীলন করানো হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যৎও মোটামুটি পরিষ্কার—দলবদলের বাজার বন্ধ হওয়ার আগেই বার্সা ছাড়তে হবে।
বার্সা ছাড়ার সবচেয়ে কাছাকাছি তোরেন্ত। লেফট-ব্যাকের আয়াক্সে যাওয়া প্রায় চূড়ান্ত। চুক্তিও বেশ কিছুদিন আগে পাকা হয়েছে। তবে চুক্তিসংক্রান্ত কিছু ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও বিদায় কিছুটা পিছিয়েছে।
কাসাদোর ভবিষ্যৎ নিয়েও চলছে শেষ মুহূর্তের আলোচনা। মিডফিল্ডারটির প্রতি সৌদি আরব ও ইউরোপের কয়েকটি ক্লাবের আগ্রহ রয়েছে। কোন প্রস্তাব গ্রহণ করবেন, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আরও কিছুটা সময় নিতে চাইছেন তিনি।
ফোর্টও জানেন, ক্যাম্প ন্যুতে তার সময় শেষের পথে। এই ফুলব্যাকের জন্য আগ্রহী ক্লাবের সংখ্যাও বাড়ছে। বিশেষ করে প্রিমিয়ার লিগের কয়েকটি ক্লাব থেকে এসেছে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব।
টমি মার্কেসকে দল ছাড়তে হবে—এটা তিনি গত সপ্তাহ থেকেই জানেন। বার্সা তাকে স্থায়ীভাবে বিক্রি করতে চায়। তবে কাঙ্ক্ষিত প্রস্তাব না এলে ধারে পাঠানোর পথও খোলা রাখছে ক্লাব। তাকে নিতে স্পোর্টিং ব্রাগা আগ্রহী।
ছয়জনের তালিকার শেষ দুই নাম গিলে ও টনি ফার্নান্দেজ। দুজনের প্রতিই আগ্রহী ক্লাবের সংখ্যা কম নয়। স্থায়ী ট্রান্সফার কিংবা ধারে—দুই পথেই তাদের ছাড়ার সুযোগ রয়েছে বার্সার সামনে। প্রাক-মৌসুমের প্রথম পর্ব শেষ। এখন এই দুই তরুণের জন্য সঠিক ঠিকানা বেছে নেওয়ার পালা।