১৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে হিমাগার ভাড়া নির্ধারণ না হলে রংপুরে রাজপথে জোরালো আন্দোলনসহ সব হিমাগার থেকে আলু বের করে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
বুধবার দুপুরে রংপুর জেলা আলুচাষি ও ব্যবসায় সমিতির সভাপতি তৈয়বুর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠনের সদস্যরা কৃষি বিপণন বিভাগীয় কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা এ আলটিমেটাম দেন।
পরে ওই দপ্তরের উপ-পরিচালক এমএন আলমগীর বাদশার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কর্তৃক হিমাগারের যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের সুপারিশ কমিটির পাঠানো সুপারিশ চলতি বছরের ১৫ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়ে ২০ জুলাই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। ২০২৬ সালে মৌসুমের এক-তৃতীয়াংশ সময় পার হয়ে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়নি। এটি বাস্তবায়ন করা এখন সময়ের দাবি।
আলুচাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, সুপারিশ কমিটি রংপুরের ৬টি হিমাগার সরেজমিন তদন্ত করে আলু সংরক্ষণে প্রতি কেজি সর্বোচ্চ ৩ টাকা ৯৭ পয়সা থেকে শুরু করে সর্বনিম্ন ২ টাকা ৯৮ পয়সা পর্যন্ত হিমাগার মালিকরা খরচ দেখিয়েছেন। সুপারিশ কমিটির সভায় তারা আলু সংরক্ষণের কেজিপ্রতি খরচের কথা জানালেও হিমাগারের জমির মূল্য, স্থাপনা খরচ, ব্যাংক ঋণ ও সুদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত করতে সময় চেয়ে সুপারিশ কমিটির সভায় রেজুলেশনে স্বাক্ষর করেনি। কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সেই হিমাগার মালিকদের স্বাক্ষর ছাড়াই সুপারিশ অধিদপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছে। ফলে এখন পর্যন্ত হিমাগার ভাড়া নির্ধারণের সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে।
তারা আরও জানান, আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে রংপুর জেলার হিমাগার ভাড়া নির্ধারণ না হলে রাজপথে আলুচাষি ও ব্যবসায়ী কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। সেই সঙ্গে ৫ টাকা কেজি দরে হিমাগার ভাড়া পরিশোধ করে সব আলু হিমাগার থেকে বের করে নেওয়া হবে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে দায়ী থাকবে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।