ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপিত

২৭ আগস্ট, ২০২৬

ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপযাপন করেছে। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ আলোচনায় অংশ নেন। আলোচকবৃন্দ বলেন, বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর জীবনাদর্শ ও সুন্নাহ তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ আমাদের ব্যক্তি ও সমাজজীবনে সর্বদা অনুসরণীয়।

হাইকমিশনার মোঃ ইকবাল হোসেন খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আগমনের স্মৃতিবিজড়িত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত একটি দিন। তাঁর আগমন সারা বিশ্বের মানুষের জন্য সত্য ও আলোর এক নতুন দিগন্ত। তিনি মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর সুমহান আদর্শ ও সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য উৎকৃষ্টতম অনুসরণীয় ও অনুকরণীয়। মহানবী (সা.) একটি সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সকলের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং সার্বিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং ইহকাল ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রতিটি কথা, কর্ম ও জীবনাদর্শ সকল মুসলমানদের জন্য অবশ্য অনুসরণীয় মর্মে তিনি উল্লেখ করেন। 

অনুষ্ঠান শেষে দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।