স্মার্টওয়াচের ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে যেভাবে

২০ জুলাই, ২০২৩

হাতঘড়ির পরিবর্তে বর্তমানে স্মার্টওয়াচের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন কোম্পানি নতুন সব ডিভাইস বাজারজাত করছে। সারা দিন স্বাস্থ্যের খেয়ালও রাখছে স্মার্টওয়াচ। কতক্ষণ হাঁটা হলো, ঘুমের পরিমাণ, পানি পানের পরিমাণ সবকিছুরই খেয়াল রাখে স্মার্টওয়াচ।

অন্যদিকে স্মার্টওয়াচে ২৪ ঘণ্টা হার্ট রেট মনিটর, ব্লাড অক্সিজেন সেন্সর, মেয়েদের জন্য পিরিয়ড সাইকেল ট্র্যাকার, স্লিপ মনিটর, ব্লাড প্রেসার মনিটর, ব্রেথ ট্রেইনার এবং অ্যাক্টিভিটি ট্র্যাকার দেয়া হয়েছে। স্মার্টওয়াচ এত খেয়াল রাখলেও এর যত্নের বিষয়ে উদাসীন সবাই। ঠিকমতো যত্ন না নিলে এবং সঠিক পদ্ধতিতে ব্যবহার না করলে স্মার্টওয়াচ বেশিদিন ব্যবহার করা যাবে না। এজন্য কিছু বিষয় জানিয়েছে মেক ইউজ অব ইট।

প্রথমেই স্মার্টওয়াচের ব্রাইটনসে। স্মার্টফোনের ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন। আলোর সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করে রাখুন স্মার্টওয়াচের ব্রাইটনেস। যেমনটা স্মার্টফোনের বেলায় করে থাকি।

এরপর ব্যাটারির দিকে নজর দিতে হবে। সঠিক পদ্ধতিতে চার্জ দিতে হবে। অতিরিক্ত চার্জ যেমন স্মার্টওয়াচের ক্ষতি করতে পারে তেমনি ব্যাটারি একেবারে ০% হওয়ার পর চার্জ দেয়াও ক্ষতির কারণ হতে পারে।

নোটিফিকেশন বন্ধ রাখতে হবে। জরুরি বার্তা ছাড়া অন্যান্য অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা যায়। এতে স্মার্টওয়াচের চার্জ দ্রুত শেষ হবে না।

অলয়েজ ডিসপ্লে অন ফিচারও ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। এটির সঙ্গে ফেস অ্যাপও বন্ধ রাখা যায়। এতে ফেস শনাক্ত করে স্মার্টওয়াচ অন হবে না। ফলে চার্জ থাকবে।

প্রয়োজন ছাড়া ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই ও লোকেশন ব্যবহার বন্ধ করুন। স্মার্টওয়াচের অনেক বৈশিষ্ট্যের জন্য ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই বা ইন্টারনেট এবং লোকেশনের তথ্য প্রয়োজন হয়। প্রয়োজন না থাকলে এগুলো বন্ধ রাখা ভালো।

পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করা ভালো। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটিংসকে কম পাওয়ার ব্যবহার করার জন্য অপ্টিমাইজ করে। ফলে স্মার্টওয়াচের ব্যাটারির আয়ু কমে অনেক ধীরে।

অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করে দিতে হবে। অনেক বেশি অ্যাপ ইনস্টল করলে স্মার্টওয়াচের কর্মক্ষমতা কমতে থাকে। অ্যাপগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চললে এটি পাওয়ার খরচও বাড়াতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো আনইনস্টল করে ফেলা ভালো।