হবিগঞ্জে ৬ গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, পাঁচজন টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৩০
২০ নভেম্বর, ২০২৩
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার পাথাড়িয়ায় ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক (টমটম) স্ট্যান্ড নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ছয়টি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
সোমবার (২০ নভেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে।
স্থানীয়রা জানান, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য পাথারিয়া গ্রামের আশিক মিয়ার নেতৃত্বে আলম বাজার থেকে হাওর এলাকার কয়েকটি গ্রামে চলাচলরত ইজিবাইক স্টেশন পরিচালিত হয়। সকালে টুপিয়াজুরি গ্রামের দুই ইজিবাইক চালকের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে টমটম সমিতির সভাপতি আশিক মিয়া তাদের বহিষ্কার করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিয়ালা গ্রামের লোকজনের সঙ্গে পাথাড়িয়া গ্রামের সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে হিয়ালা গ্রামের পক্ষ নেন মক্রমপুর, কাবিলপুর, নিশিন্তপুর ও টুপিয়াজুড়ি গ্রামের লোকজন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। পরে বানিয়াচং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় পাঁচজনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন জানান, ইজিবাইক স্ট্যান্ড নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত আছে।
‘টেকশই পর্যটন বিকাশে সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজমে গুরুত্ব দিচ্ছে’ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম, এথনিক ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটন বিকাশে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা চাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি শুধু প্রদর্শিত হবে না, তা পর্যটনের সম্পদে রূপান্তরিত হবে; কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুলছড়া চা বাগান মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শক্তি তার বৈচিত্র্যে। ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জনগোষ্ঠীর ভিন্নতা আমাদের বিভক্ত করে না; বরং আরও সমৃদ্ধ করে। তিনি বলেন, শ্রীমঙ্গল শুধু চায়ের রাজধানী নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঞ্চল। এখানে এবং এর আশপাশে প্রায় ২৬টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্পকলা ও জীবনধারা বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ ও বর্ণিল করেছে। মন্ত্রী আরো বলেন, হারমনি ফেস্টিভ্যাল শুধু একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়; এটি সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। এবারের উৎসবে ১৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অংশগ্রহণ করছে, যা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি অনন্য উপস্থাপনা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, হারমনি ফেস্টিভ্যাল দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যকে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরবে এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিস ফাহমিদা আখতার’র সভাপতিত্বে অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বহী কর্মকর্তাা (অ.দা.) মো আব্দর রউফ। বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিস কানিজ মোল্লা।