১০ রান হতে না হতেই সৌম্য-লিটন-শান্ত সাজঘরে

০১ জুন, ২০২৪

১৮৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলের বোর্ডে ১০ রান উঠতেই সাজঘরে ফিরেছেন সৌম্য সরকার, লিটন দাস আর নাজমুল হোসেন শান্ত। এর মধ্যে সৌম্য আর শান্ত ফিরেছেন শূন্য করে। সৌম্য ২ বলে ০ আর শান্ত ৬ বলে করেছেন ০। লিটন ৮ বলে ৬ করে বাজেভাবে ফিরেছেন বোল্ড হয়ে।

একটি দলের মূল শক্তি টপঅর্ডার। তবে বাংলাদেশের টপঅর্ডারের তিন-চার ব্যাটারের কাছে বড় রান আশা করাই যেন অপরাধ। দিনের পর দিন তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন। ব্যতিক্রম হলো না ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচেও।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২০ রান।

এর আগে ভারতের বিপক্ষে খারাপ করেননি বোলাররা। রোহিত শর্মার দলকে ৫ উইকেটে ১৮২ রানেই আটকে রেখেছে বাংলাদেশ।

নিউইয়র্কের নাসাও কাউন্টি ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। সঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে অবশ্য শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় ১১ রানের মাথায় প্রথম আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। ৬ বলে ১ করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন স্যামসন।

রোহিতও চড়ে বসতে পারেননি। মাহমুদউল্লাহর শিকার হওয়ার আগে ১৯ বলে করেন ২৩। তবে মাঝে রিশাভ পান্ত আর সূর্যকুমার কুমার এবং শেষদিকে হার্দিক পান্ডিয়ার ব্যাটে চড়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় ভারত।

পান্ত ৩২ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় ৫৩ রান করে স্বেচ্ছায় অবসরে যান। সূর্যকুমার করেন ১৮ বলে ৩১। শেষদিকে হার্দিক ২৩ বলে ২ চার আর ৪ ছক্কায় খেলেন ৪০ রানের হার না মানা ইনিংস।

বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল শেখ মেহেদী হাসান। এই অফস্পিনার ৪ ওভারে ২২ রানে নেন একটি উইকেট। শরিফুল ৩.৫ ওভারে ২৬ রানে একটি, মাহমুদউল্লাহ ২ ওভারে ১৬ রানে একটি, তানভীর ইসলাম ২ ওভারে ২৯ রানে নেন একটি উইকেট।

সাকিব ছিলেন বেশ খরুচে। ৪ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে একটি উইকেটও পাননি তিনি। রিশাদ ২ ওভারে ১৯ রান এবং তানজিম হাসান সাকিব ১.১ ওভারে দেন মাত্র ৬ রান। সৌম্য সরকারের ১ ওভারে খরচ ১১।