নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে প্রবাসী বিএনপিতে উচ্ছ্বাস, থাকবেন হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রালে

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমেরিকা সফর ঘিরে নিউইয়র্কে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে অবস্থানকালে ম্যানহাটনের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলে থাকবেন।

তাকে ঘিরে হোটেলটির আশপাশে প্রবাসী নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ও কর্মসূচি ঘিরে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে প্রতিদিন বিকেলে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীরা মিছিল করছেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী ২২ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছাবেন।

জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানানো হবে।

সফরের প্রথম দিন সন্ধ্যায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রবাসী বিএনপি সমর্থক শফিক বলেন, ‘নেতা তারেক রহমান নিউইয়র্ক আসছেন, এটা আমাদের জন্য বিরাট প্রাপ্তি।’

ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আসা সাব্বির আহমেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন। এটা ঐতিহাসিক ঘটনা।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী গোলাম ফারুক শাহীন বলেন, ‘আজকে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমান কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের মাঝে ইনশাআল্লাহ পৌঁছাবেন। এই জন্য আমরা প্রবাসীরা, বিএনপির নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত।

আমরা আমাদের নেতাকে অধীর আগ্রহে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা জানানোর জন্য অপেক্ষা করছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ব নেতাদের সামনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও পরিকল্পনা তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

এদিকে বিএনপির নিউইয়র্ক মহানগর উত্তর আয়োজিত স্বাগত মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা অংশ নেন। হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্কের সামনে ও আশপাশের এলাকাতেও প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নেতাকর্মীদের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পর তাদের সন্তান তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণকে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখছেন প্রবাসীরা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৩০টির বেশি সড়কে নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

রাষ্ট্রপ্রধানদের গাড়িবহর চলাচলের সময় সাময়িকভাবে সড়ক বন্ধ থাকবে। নগরবাসীকে ব্যক্তিগত গাড়ি এড়িয়ে সাবওয়ে, ফেরি বা সাইকেল ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।