☰
✕

ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক অভিযান

০৪ অক্টোবর, ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে তিন মাসব্যাপী সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা শুরু হয়েছে। দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সরকারের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই উদ্যোগ নিয়েছে। রবিবার (৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড এ কে এম মতিনুর রহমান।

কর্মসূচিতে উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মামুন আল রশীদ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী, আবাসিক হলের কর্তৃপক্ষ,  রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন সামাজিক, পরিবেশবাদী ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেয়।

কর্মসূচির শুরুতে প্রশাসনের উদ্যোগে সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় শিক্ষাবিদ ও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করে নির্ধারিত স্থানে ফেলেন। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জমা পানি ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হয়।

অংশগ্রহণকারী আল ফিকহ অ্যান্ড ল বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ বলেন, বর্তমানে দেশে ডেঙ্গুর ভয়ংকর অবস্থা বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতনতা বৃদ্ধি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে সাধুবাদ জানাই। যেহেতু এটা মাত্র শুরু আমরা আশা করি প্রতিটি বিভাগ থেকে যদি নিয়মিত অভিযান চালানো হয় তাহলে তাহলে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যাবে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, আজকের এই উদ্যোগটি শুধুই একদিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়। ইতোমধ্যে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে ও এটি এখন আর শুধু ঢাকা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; দেশের প্রান্তিক অঞ্চলগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন না হই, তবে আমাদের সবাইকে এর ভয়াবহ পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়কে সুন্দর ও বাসযোগ্য করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে উপাচার্য আরও বলেন, আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের অন্যতম মডেল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো অনুসরণ করবে। একাডেমিক ও কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি এই ক্যাম্পাসকে ক্লিন ও গ্রিন ক্যাম্পাসে রূপান্তর করার কাজ চলছে। সকলের সহযোগিতা কাম্য।