০৮ অক্টোবর, ২০২৬
আটলান্টিক মহাসাগরে কানাডার অন্টারিওভিত্তিক ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছয় আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। ‘হার্টবিট ১০৪ মেডিভ্যাক’ নামের বিমানটি বারমুডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল।
বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পর প্রায় ৬৬ ঘণ্টা ধরে ব্যাপক অনুসন্ধান চালায় যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলরক্ষী বাহিনী। শেষ পর্যন্ত ন্যান্টাকেট উপকূল থেকে প্রায় ২০ মাইল দক্ষিণে বিমানের ধ্বংসাবশেষের একটি বড় অংশ পাওয়া যায়। এরপর উদ্ধার ও অনুসন্ধান অভিযান স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ।
যেভাবে নিখোঁজ হয় বিমান
গত শনিবার (৩ অক্টোবর) ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালিত ‘হার্টবিট ১০৪’ বারমুডার এলএফ ওয়েড আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বোস্টনের লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে।
যাত্রাপথে বিমানটি বৈদ্যুতিক সমস্যার কথা জানায়। এর কিছুক্ষণ পর বিমানের উচ্চতায় বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায় এবং এটি দ্রুত নিচে নেমে আসে। এরপর বিমানটির সঙ্গে বেতার যোগাযোগ ও অবস্থানসংক্রান্ত তথ্য পাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের উপকূলরক্ষী বাহিনী ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ প্রায় ৬৬ ঘণ্টার অনুসন্ধানের পর ন্যান্টাকেটের উপকূল থেকে প্রায় ২০ মাইল দক্ষিণে বিমানের ধ্বংসাবশেষের বড় একটি অংশ শনাক্ত করা হয়।
নিহত ৬ আরোহী
বিমানটিতে ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের চারজন কর্মী, চিকিৎসার জন্য যাওয়া একজন রোগী এবং রোগীর একজন স্বজন ছিলেন।
নিহত ছয়জনের মধ্যে চারজন কানাডার এবং দুজন বারমুডার নাগরিক।
কানাডার চার নাগরিক হলেন—পাইলট ফিলিপ গ্রেগরি চিল্ডারহোস, সহকারী কো-পাইলট থমাস হেনরি ফারকুহার, উড্ডয়ন-সেবিকা সারা জেন প্যাটন এবং শ্বাস-প্রশ্বাস চিকিৎসাবিষয়ক কর্মী জোলিন বেথ ওয়্যার।
বারমুডার দুই নাগরিক হলেন ৬৬ বছর বয়সী মেরিলিন লাভোন বিন এবং তার ৪১ বছর বয়সী ছেলে সার্জিও ওয়েন লটিমোর।
বিমান বিধ্বস্তের কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।