১৪ অক্টোবর, ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে মালদ্বীপ প্রবাসীর স্ত্রী ও কন্যাকে লোহার হাতল দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যাশিশুটির বাম চোখ ক্ষতিগ্রস্ত ও চারটি দাঁত ভেঙে গেছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার শালমারা ইউনিয়নের বুড়াবুড়ি (উত্তরপাড়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় রাতেই অভিযুক্ত হামিদুল ও তার স্ত্রী তামান্না সুলতানার বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রী মিনি বেগম বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে সোমবার বিকেলে প্রতিবেশী হামিদুল ও তার স্ত্রী তামান্না মিলে মালদ্বীপ প্রবাসী বাবুল সরকারের স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করেন। একপর্যায়ে তারা লোহার খুন্তির হাতল দিয়ে মিনি বেগমকে মারধর করেন। এসময় তাকে বাঁচাতে গেলে তার কন্যা জান্নাতি আক্তার বর্ষাকে অভিযুক্তরা খুন্তির লোহার হাতল দিয়ে তার মুখে আঘাত করেন। এতে জান্নাতির মুখের চারটি দাঁত ভেঙে যায়, ঠোঁট কেটে যায় এবং বাম চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এসময় পুত্রবধূ ও নাতনিকে বাঁচাতে শ্বশুর হাদিউল করিম এগিয়ে আসলে তাকেও ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী মিনি বেগম বলেন, আমি ক্যান্সারের রোগী। একমাস হচ্ছে থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছি। তবুও ওরা আমাকে কোনো ছাড় দেয়নি। তারা আমাকে মারে, এসময় মেয়ে বাঁধা দিতে গেলে তাকেও মারে। মেয়ের গলায় থাকা আট আনার স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজ আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।