১৭ অক্টোবর, ২০২৬
পাহাড়ের সব সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, কিছু প্রশাসনিক সমস্যা রয়েছে, যা চাইলেই দ্রুত সমাধান করা যাচ্ছে।
কিন্তু রাজনৈতিক সমস্যাগুলো চাইলেই সমাধান করা যাচ্ছে না, তাবে আলোচনা চলছে। আশা করছি, শিগগিরই সবকিছুর সমাধান হবে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সন্মেলন কক্ষে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মীর হেলাল বলেন, সমস্যা যেখানে আছে সমাধানও সেখানে আছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘রংধনু জাতি’ গঠনের দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল ভাবনা পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলাতেই সবচেয়ে বেশি প্রতিফলিত হয়েছে।
কোনো ধরনের গুজব ও বিশৃঙ্খলার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো বিষয়ে সন্দেহ বা অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হলে অবহেলা না করে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পার্বত্য জেলা পরিষদ কিংবা বিএনপির স্থানীয় নেতাদের জানানোর অনুরোধ জানান তিনি। মীর হেলাল বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিশৃঙ্খলার ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না।
প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় এবার শারদীয় উৎসবে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কঠিন চীবর দান, প্রবারনা পূর্নিমাসহ সকল প্রকার উৎসব পালনের জন্য বরাদ্ধ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা প্রতিশ্রুতি দেন, তা বাস্তবে তার চেয়েও বেশি অর্জন করে দেখান। তার আদর্শ ও দর্শনকে অনুসরণ করে একটি স্বনির্ভর ও রংধনু জাতি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে প্রতিষ্ঠিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্য মন্ত্রী ও রাঙামাটি সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দীপু প্রমুখ।
পরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ৪৭টি পূজামণ্ডপের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের হাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এ ছাড়া প্রতিমন্ত্রী রাঙামাটির বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন।