☰
✕

ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের হ্যাটট্রিক জয়

১৮ অক্টোবর, ২০২৬

এবিজি স্পোর্টস সিটির আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফ্রস্ট ব্লাস্ট টি-টোয়েন্টি করপোরেট ক্রিকেটের সিজন থ্রিতে গ্রুপ পর্বে আরো একটি জয় তুলে নিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স।

শনিবার ঢাকা ক্রিকেটার্সকে ৫১ রানে হারিয়ে গ্রুপ পর্বে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স।

খালেদ মাসুদের ঝড়ো অর্ধশতকের পর বল হাতে তাপস ঘোষের বিধ্বংসী বোলিংয়ো ঢাকা ক্রিকেটার্সকে মাত্র ৮৯ রানেই গুটিয়ে দেয় বসুন্ধরা।

শনিবার আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে ১৪০ রানে অলআউট হয় বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৯ রান করেন খালেদ মাসুদ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৬.৫ ওভারে ৮৯ রানেই থামে ঢাকা ক্রিকেটার্সের ইনিংস।

তাতে ৫১ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বসুন্ধরা। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বসুন্ধরা।

দলীয় ৯ রানে মাহমুদুল হাসান শেখের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ওপেনার মাহেন, করেন মাত্র ২ রান। আগের দুই ম্যাচে দারুণ ছন্দে থাকা শেহজাদ আকবর সোবহান এদিন বেশিদূর এগোতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৬ রান।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৩৯ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন খালেদ মাসুদ ও সুমন আহমেদ। ১৭ বলে ১০ রান করে সুমন ফিরলেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নেন খালেদ। মাত্র ৩৫ বলে ৬টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তবে দলীয় ৯৬ রানে ফিরোজ রশিদের শিকার হয়ে খালেদ ফিরতেই চাপে পড়ে বসুন্ধরা।

এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। অন্তু ১৩ বলে ১৭ এবং রাজি ১১ রান করেন। শেষ দিকে বাবুর ১৬ বলে অপরাজিত ১৭ রানের ইনিংসে ১৪০ রানে পৌঁছায় বসুন্ধরা। 

ঢাকা ক্রিকেটার্সের হয়ে ফিরোজ রশিদ ২৩ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। মাহমুদুল হাসান শেখ এক মেডেনসহ ১৩ রান খরচায় শিকার করেন ২ উইকেট।

১৪১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ঢাকা ক্রিকেটার্স। ব্যাটারদের কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন ফারুক টিটো। ২৯ বলের ইনিংসে দুটি চার ও একটি ছক্কা মারেন তিনি। রাসেল ১১ এবং তাসবিহ ইবতিসাম রাফি করেন ১০ রান। বাকি ব্যাটারদের কেউই দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। অতিরিক্ত থেকে আসে ১৭ রান।

বসুন্ধরার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন তাপস ঘোষ। ৩.৫ ওভারে মাত্র ৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ঢাকা ক্রিকেটার্সের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন তিনি। খালেদ মাসুদ ২ ওভারে ৮ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। রাজিও ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় শিকার করেন ২ উইকেট। এ ছাড়া মাহেন ও লাজিম নেন একটি করে উইকেট।

ব্যাট হাতে খালেদের ঝড়ো ফিফটি আর বল হাতে তাপসের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দাপুটে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। এই জয়ে টুর্নামেন্টে টানা তৃতীয় জয় পেল দলটি।