১৯ অক্টোবর, ২০২৬
শরতের শেষে হেমন্তের শুরুতে উত্তরের অন্যান্য জেলার মতো কুড়িগ্রামেও শীতের আগমনী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে জেলার সর্বত্র ঘন কুয়াশা ও শীতল হাওয়া অনুভূত হচ্ছে। ঘাস ও গাছের পাতায় জমছে শিশিরবিন্দু।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৮টা পর্যন্ত সদর, রাজারহাট, রৌমারী, রাজিবপুর ও ফুলবাড়ীসহ জেলার সবকটি উপজেলার গ্রামীণ সড়ক ও ফসলের মাঠ ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা ছিল। সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশা পড়তে শুরু করে রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও ঘন হয়। শহরের চেয়ে গ্রামাঞ্চলে শীতের মাত্রা কিছুটা বেশি। সকালে কুয়াশা কেটে সূর্যের দেখা মিললে দিনভর কিছুটা গরম থাকে, তবে বিকালের পর থেকে তাপমাত্রা আবারও কমতে থাকে।
সদর উপজেলার ত্রিমোহণী এলাকার কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, কয়েক দিন ধরেই সকাল-সন্ধ্যায় শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে শনিবার এর মাত্রা অন্য দিনের তুলনায় বেশি ছিল।
পৌরবাজার এলাকার রিকশাচালক কাশেম আলী বলেন, ‘এলাও তো শীতের খবর তেমন হওয়ার কথা নয়। কিন্তু কয়দিন থাকি হামার এটে শীত পড়বার নাগছে। আগে খুব সকালে রিকশা ধরি বেরাছনো, এলা তিনদিন থাকি একনা দেরিত বেরাই। কুয়াশা থাকে, প্যাসেঞ্জার পাওয়াও মুশকিল।’
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, রবিবার সকাল ৬টায় রাজারহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত দুই-তিন দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে আগামী দিনগুলোতে তাপমাত্রার পরিবর্তন হতে পারে।