২১ অক্টোবর, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের ১২টি দেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসগুলো। সংঘাত, ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধ থাকার পাশাপাশি মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে এ সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে এ সতর্কতা জারি করা হয়। ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সতর্কতার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, জর্দান, বাহরাইন, ওমান, ইরান, কাতার, ইরাক, লেবানন, ইয়েমেন ও ইসরায়েল।
বিবৃতিতে মার্কিন নাগরিকদের আপাতত এসব দেশে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি বর্তমানে দেশগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে, বিমান সংস্থাগুলোর কার্যক্রমের ওপর নজর রাখতে এবং সংশ্লিষ্ট মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান ও তেহরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিদেশে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সংস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। অতীতে বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি ভ্রমণব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের ফ্লাইট নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলবে, এমনটা ধরে না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন মিশনগুলো।
যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা বা বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
লেবাননে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস বৈরুতের রফিক হারিরি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দিয়েছে। ইয়েমেনে থাকা মার্কিন নাগরিকদের ফ্লাইটের তথ্য জানতে ইয়েমেনিয়া এয়ারওয়েজ ও ফ্লাই এডেন এয়ারলাইনসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
মার্কিন নাগরিকদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘স্মার্ট ট্রাভেলার এনরোলমেন্ট প্রগ্রাম’ (স্টেপ)-এ নিবন্ধন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য পাওয়া এবং জরুরি অবস্থায় কূটনীতিকদের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয়।
এ ছাড়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসরণ, কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা, মুঠোফোন সচল রাখা এবং মার্কিন দূতাবাসসংশ্লিষ্ট স্থানে চলাচলের সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।