এলএনজি-সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় কমিশন

০৩ অক্টোবর, ২০২৪

সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি (এসিসিজিপি) এলএনজি ও সার আমদানিসহ মোট ৭টি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, সার ও গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার এসব প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, চলতি মৌসুমে সারের সরবরাহে কোনো ঘাটতি হবে না। এছাড়া, এলএনজি আমদানির মাধ্যমে গ্যাসের ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা চলছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাব অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত পেট্রোবাংলা আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সিঙ্গাপুরভিত্তিক গানভর সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে দুটি এলএনজি কার্গো আমদানি করবে।

প্রথম কার্গোতে ৩৩ লাখ ৬৬ হাজার মেট্রিক টন এমএমবিটিইউ থাকবে, যার দাম ৬৪০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। প্রতি এমএমবিটিইউয়ের দাম ১৩ দশমিক ৫৭ ডলার। দ্বিতীয় কার্গোর দাম ৬ লাখ ৪৯ হাজার ৫৯ কোটি টাকা, প্রতি এমএমবিটিইউয়ের দাম ১৩ দশমিক ৭৭ ডলার।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস, ২০০৮ এর অধীনে কোটেশন প্রক্রিয়ায় সরবরাহকারী নির্বাচন করে পেট্রোবাংলা।

সার আমদানির জন্য বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) পক্ষ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

বিসিআইসি সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৩০,০০০ মেট্রিক টন বাল্ক গ্রানুলার ইউরিয়া আমদানি করবে। এর খরচ হবে ১২৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৪৬.৩৩ ডলার।

এছাড়া, ৩০,০০০ মেট্রিক টন ব্যাগ গ্রানুলার ইউরিয়া কার্নফুলি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ১২০ কোটি ৭৮ লাখ টাকায় আমদানি করা হবে; প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৩৫.৫০ ডলার।

নেত্রকোনা ও ময়মনসিংহে ২টি বাফার গোডাউন নির্মাণের দরপত্র বাতিলের জন্য বিসিআইসির একটি প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন মরক্কোর ওসিপি এসএ থেকে ৩০,০০০ মেট্রিক টন টিএসপি সার ১৪৯ কোটি ৪০ লাখ টাকায় আমদানি করবে, প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৪১৫ ডলার।

এছাড়া, সৌদি আরবের মা'দেন থেকে ৪০,০০০ মেট্রিক টন ডিএপি সার ২৭৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় আমদানি করবে বিএডিসি, প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৫৮১ মার্কিন ডলার।