☰
✕

চীনের মহাকাশ অভিযানে যাচ্ছেন প্রথম পাকিস্তানি নভোচারী

০৭ নভেম্বর, ২০২৬

চীনের পরবর্তী মহাকাশ অভিযানে অংশ নিতে যাচ্ছেন পাকিস্তানের একজন নভোচারী। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিদেশি নাগরিক চীনের মহাকাশ স্টেশন পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) মানববাহী মহাকাশ সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

পাকিস্তান ও চীন ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও কৌশলগত অংশীদার। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি চুক্তি করে। এর আওতায় পাকিস্তানি নভোচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য চীনের সরকারি কর্মসূচি চালু করা হয়।

চীনের মানববাহী মহাকাশ সংস্থা (সিএমএসএ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, পাকিস্তানি নভোচারী শেনঝৌ-২৪ মহাকাশযানের যাত্রীদের সঙ্গে মহাকাশে যাবেন।

তবে কবে এই অভিযান শুরু হবে, তা জানানো হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ অভিযানটি পরিচালিত হতে পারে।

সিএমএসএর তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানি নভোচারী একজন পেলোড বিশেষজ্ঞ হিসেবে স্বল্প সময়ের জন্য মহাকাশে অবস্থান করবেন। পরে তিনি শেনঝৌ-২৩ মহাকাশযানে করে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন। মহাকাশযানটি গত মে মাসে চীনের থিয়াংগং মহাকাশ স্টেশনে যুক্ত হয়েছিল।

তবে পাকিস্তানের ওই নভোচারীর নাম জানায়নি চীনের মহাকাশ সংস্থা। এর আগে গত এপ্রিল মাসে সংস্থাটি জানিয়েছিল, মুহাম্মদ জিশান আলী ও খুররম দাউদ নামের দুই পাকিস্তানি নভোচারীকে চীনে প্রশিক্ষণ শুরুর জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন তার মহাকাশ কর্মসূচিতে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। মহাকাশ গবেষণায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে আনছে দেশটি। ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্যও রয়েছে বেইজিংয়ের।

পাকিস্তান চীনের স্বাভাবিক অংশীদার। দুই দেশ প্রায়ই তাদের কয়েক দশকের বন্ধুত্বকে ‘সব সময়ের ও সব পরিস্থিতির বন্ধুত্ব’ বলে উল্লেখ করে। চীন পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এবং দেশটির অন্যতম বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী।

২০২৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী, চীনে প্রশিক্ষণ শেষে আগামী কয়েক বছরে পাকিস্তানি নভোচারীরা চীনের নভোচারীদের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি মহাকাশ অভিযানে অংশ নেবেন। ওই সময় চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য জানিয়েছিল।

সূত্র: এএফপি