পোপ ফ্রান্সিসের অবস্থা ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‘আশঙ্কাজনক’

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বেশ কয়েক দিন ধরে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভোগা পোপ ফ্রান্সিসের শারীরিক অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান।বয়সী পোপ সচেতন আছেন, তার আর্মচেয়ারেও বসতে পারছেন। তবে তাকে ‘উচ্চ প্রবাহের’ অক্সিজেন দিতে হচ্ছে। শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

রোমান ক্যাথলিকদের শীর্ষ ধর্মগুরুর অবস্থা শনিবার আরও খারাপ হয়েছে। এর মধ্যে তাকে রক্তও দিতে হয়েছে।রোমের জেমেলি হাসপাতালে পোপের নিউমোনিয়ার চিকিৎসা চলছে। রক্তশূন্যতার কারণে প্লেটলেট কমে যাওয়ায় তাকে রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়।

ভ্যাটিকান বলেছে, হলি ফাদারের অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন। তিনি এখনো বিপদমুক্ত নন।

পোপ তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়ার পর ভ্যাটিকান প্রতিদিন বিবৃতি দিয়ে তার শারীরিক অবস্থা জানাচ্ছে।

তবে শনিবারের বিবৃতিতে ভ্যাটিকান যা বলেছে, তাতে পোপের অবস্থার অনেক বেশি খোলামেলা ও বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে, যেমনটা সাধারণত হয় না।

চিকিৎসকরা আগের দিনও বলেছিলেন, প্রথমবারের মতো ওষুধে সাড়া দিচ্ছেন পোপ। তবে পোপের অবস্থা যে বেশ জটিল, সেটা তার চিকিৎসকদের কাছেও স্পষ্ট।

শুক্রবার তারা বলেছিলেন, পোপের অবস্থা এতটাই নাজুক যে পরিস্থিতির সামান্যতম পরিবর্তনেও বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।

টানা কয়েক দিন শ্বাসকষ্টে ভোগার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পোপকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

২১ বছর বয়সে পোপ ফ্রান্সিসের ফুসফুসের একটি অংশ অপসারণ করতে হয়েছিল। পরে বেশি বয়সে তার ফুসফুসের চারপাশে এক ধরনের প্রদাহ তৈরি হয়। সে কারণে তিনি ফুসফুস সংক্রমণের ঝুঁকিতে ছিলেন।

গত ১২ বছরে এই আর্জেন্টাইনকে বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালের মার্চ ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হয়ে তিনি তিন রাত হাসপাতালে ছিলেন।

পোপের সর্বশেষ যে অবস্থা ভ্যাটিকান জানাল, তা বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিকদের উদ্বিগ্ন করবে, যারা সর্বক্ষণ পোপের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর রাখছেন।