আমাকেও যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়েছিল: জামায়াতের আমির

০২ এপ্রিল, ২০২৫

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাকে যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখানো হয়েছিল। কুলাউড়ার মানুষকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেওয়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু কুলাউড়ার কোনো মানুষ সাক্ষী দেয়নি। যুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল মাত্র সাড়ে ১২ বছর।

মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে নিজ উপজেলা কুলাউড়ায় জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াতের আমির বলেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই ২৬ লাখ কোটি টাকা পাচার করে নিয়ে গেছে। তারা কোনো দিন মানুষের সঙ্গে ভালো আচরণ করেনি। দিশেহারা আওয়ামী লীগ আমাদের নিষিদ্ধ করেছিল।

তিনি বলেন, আমরা এমন একটা দেশ দেখতে চাই যেখানে চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোরদের জ্বালায় মানুষ অতিষ্ঠ হবে না। আমরা দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশ চাই। দেশের আবাল বৃদ্ধ-বনিতা সব জায়গায়, ঘরে, রাস্তায়, কর্মস্থলে নিরাপদ থাকবে এমন একটা দেশ গড়তে চাই। 

শিক্ষিত হয়ে যাতে কেউ ডাকাতে পরিণত না হয় সেই ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা চাই না মন্তব্য করে বলেন, আমরা অপদার্থ শিক্ষা ব্যবস্থা চাই না। যাদের অন্তরে মানুষের প্রতি ভালোবাসা নেই, এরকম ডাক্তার, শিক্ষক, আইনজীবী চাই না।

কুলাউড়া উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আব্দুল মুনতাজিমের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিলেট মহানগরীর আমির মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলার ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা আব্দুর রহমান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী, মৌলভীবাজার ৪ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এডভোকেট আব্দুর রব, মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মৌলভীবাজার সভাপতি আলাউদ্দিন শাহসহ অনেকে।