১৭ এপ্রিল, ২০২৫
ফিলিস্তিনে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও গণহত্যার প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে শিক্ষার্থীরা।বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) ফেনী শহরের ফেনী সিটি গার্লস হাইস্কুলের আয়োজনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বেলা ১১টার দিকে স্কুলটির প্রধান শিক্ষক অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদের নেতৃত্বে কয়েকশো নারী শিক্ষার্থী শান্তি কোম্পানি রোডের মাথা থেকে বিক্ষোভ নিয়ে বের হয়ে কুমিল্লা বাস স্ট্যান্ড, মিজান রোডস্ত শান্তি চত্বর এবং ফেনী শহরের ট্রাংক রোডস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে শিক্ষার্থীরা পুনরায় ফেনী সিটি গার্লস হাই স্কুল মাঠে এসে কর্মসূচি সমাপ্তি ঘোষণা করে। এতে স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক আশরাফুর রহমান সোহেল, নুরুজ্জামান সবুজসহ বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থী শিক্ষক অভিভাবক অংশ নেয়।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনের দীর্ঘ পতাকা প্রদর্শন করে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনে বর্বরোচিত হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়৷ এ সময় শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনে গণহত্যা বন্ধের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন পোস্টার ও ব্যানার-ফেস্টুন প্রদর্শন করে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে চলতি দাখিল পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সহযোগিতা করার কারণে কেন্দ্র সচিব ও হল সুপারসহ ৭ জন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম। চলতি বছরে তারা আর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ও দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) হদুয়া বৈশাখিয়া ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে দাখিল গণিত পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন, শ্রাবণী আক্তার, হাফিজুল ইসলাম, তাওহীদুল ইসলাম, মোস্থাফিজুর রহমান, রবিউল খান, রাইয়ান, আব্দুল্লাহ, মো.সায়েম। তারা সবাই হদুয়া বৈশাখিয়া ফাজিল মাদরাসার শিক্ষার্থী।
অব্যাহতি পাওয়া শিক্ষকরা হলেন, কেন্দ্র সচিব চরআমতলী ছালেহিয়া দাখিল মাদরাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট মো.আব্দুর রব, হল সুপার মো.হোসাইন।
এছাড়া ৭ শিক্ষক হলেন, ছৈলাবুনিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, তালতলা দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মাহামুদুল হাসান, পাইলট দাখিল মাদরাসার শিক্ষক এমদাদুল হক, ডেবরা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক রেজাউল করিম, ভেরনবাড়িয়া মাদরাসার শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, চরআমতলী দাখিল মাদরাসার শিক্ষক নিবারণ জোমাদ্দার ও তালতলা মাদরাসার সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নজরুল ইসলাম বলেন, বই, কাগজ ও দেখাদেখি করে লেখার কারণে ৮ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও তাদের সহযোগিতা করার কারণে ৭ জন শিক্ষক ও দায়িত্ব অবহেলার কারণে কেন্দ্র সচিব ও সুপারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর নলছিটিতে ৯টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৭৬০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা অংশগ্রহণ করেছেন।এ পর্যন্ত উপজেলা ১৫ শিক্ষার্থী বহিষ্কার ও ১৮ শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।