২৪ মে, ২০২৫
কোরবানি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন ইবাদত। প্রথম মানব ও নবী আদম (আ.)-এর যুগেই যার প্রচলন ঘটেছিল। বিশুদ্ধ মতে, মদিনায় হিজরতের দ্বিতীয় বছর মুসলিম উম্মাহর ওপর কোরবানি ওয়াজিব হয়। কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার পর নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও কোরবানির আমল ত্যাগ করেননি।
অনেকে মাসয়ালা জানতে চান, মহিষ দিয়ে কোরবানি দিলে কি আদায় হবে?
এর উত্তরে ফুকাহায়ে কেরাম বলেন, সুরা হজের ৩৪ ও ৩৬ নং আয়াতে যে দুটো শব্দ উল্লেখ করা হয়েছে তা দিয়ে উট, গরু বা গরু জাতীয় পশুকে বোঝায়। আর মহিষ ও গরু যে একই জাতীয় পশু এ ব্যাপারে সবাই একমত।
হজরত হাসান বসরি (রহ.) বলেন, মহিষ গরুর স্থলাভিষিক্ত। (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বা ৭/৬৫ হা/১০৮৪৮; মির‘আত ৫/৮১ ‘কোরবানি’ অনুচ্ছেদ)।
অতএব মহিষ কোরবানি দেয়াতে কোনো দোষ নেই (মাজমুউল ফাতাওয়া ওছায়মীন ২৫/৩৪, ‘কোরবানি অধ্যায়)।