ক্বলব বা অন্তর মানবদেহের সর্দার। অন্তরই মানবদেহের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করে। তাঁর ভালো-মন্দের প্রভাব পড়ে অন্য সব অঙ্গের ওপর।
ইসলাম
মানবতার ইতিহাসে যুগে যুগে অসংখ্য মহামানবের আগমন ঘটেছে। তাঁদের কেউ জ্ঞান, কেউ নেতৃত্ব, কেউ সমাজসংস্কার ও মানবসেবায় কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন।
আজ রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩, ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রসুল। স্বয়ং আল্লাহ তাঁকে রাহমাতুল্লিল আলামিন বলে অভিহিত করেছেন। তিনি যে মানবজাতির জন্য আশীর্বাদ তা স্বয়ং আল্লাহ চিহ্নিত করেছেন। ক্ষমা, দয়া, ধৈর্য, সহনশীলতা, মহানুভবতা ছিল শেষ পয়গম্বরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তাঁর চারিত্রিক মাধুর্য সবাইকে মুগ্ধ করত। বিশ্ব ইতিহাসে এমন অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব দ্বিতীয়টি নেই। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব।
আল্লাহর ভয় একজন মুমিনের জীবনে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এটি এমন একটি আধ্যাত্মিক শক্তি, যা মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে এবং আল্লাহর আনুগত্যে অবিচল থাকতে সাহায্য করে।
নফস মানুষের সত্তার একটি স্বাভাবিক অংশ। মানুষের স্বভাবজাত প্রকৃতিরই অংশ। ভালো ও মন্দ উভয় দিকেই মানুষকে পরিচালিত করতে পারে নফস। কিন্তু মানুষের ভেতরের প্রবৃত্তি ও নিচু আকাঙ্ক্ষা তাকে বারবার মন্দের দিকে টেনে নেয়।
নামাজ আদায় করতে হয় পবিত্র অবস্থায়। তাই নামাজ আদায়ের আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা জরুরি। নামাজের জন্য শরীরকে অপবিত্রতা ও নোংরা থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি শরিয়তসম্মত পবিত্রতা অর্জন করতে হয়।
মদিনার সব মসজিদে নারীদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান চালুর অনুমোদন দিয়েছে সৌদি আরব। দেশটির ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ এ অনুমোদন দিয়েছেন।
ইসলামে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করার ব্যাপারে মহানবী (সা.) কয়েকটি নির্দিষ্ট দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়া তার অন্যতম।
মানুষ মাত্রই ভুল-বিচ্যুতির শিকার। ভুল হয় না-এমন কোনো মানুষ হয় না।
ভুল যেমন রয়েছে, তেমনি সংশোধনও রয়েছে। ইসলামে ভুল ধরিয়ে দেওয়ার সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি রয়েছে। কেউ কেউ অন্যের ভুল দেখলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে সংশোধন করে দেওয়ার পরিবর্তে ধমক ও তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে কথাও বলে ফেলেন। খুব বড় কিংবা জঘন্য কোনো ভুল না, নিত্যনৈমিত্তিক সূচিত হওয়া ছোট ছোট ভুলের ক্ষেত্রেও অনেকে এমনটা করেন।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ।
বনভূমির নীরবতা ভেঙে পাখির ডাক, নদীর পাড়ে হরিণের ছুটে চলা কিংবা আকাশে পাখির সারি—এসব শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়; এগুলো আল্লাহর সৃষ্টির বৈচিত্র্য ও নিখুঁত ব্যবস্থাপনার নিদর্শন। কিন্তু মানুষের নির্বিচার শিকার, বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস ও পরিবেশদূষণের কারণে পৃথিবীর অসংখ্য প্রাণী আজ অস্তিত্বের সংকটে।
হিজরতের ইতিহাসে গারে সওরের ঘটনা মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত। মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের সময় রাসুলুল্লাহ (স.) ও হজরত আবু বকর (রা.) এই গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। তাঁদের গারে সওরে অবস্থানের ঘটনা পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে।
জামাতে নামাজের সময় নাবালেগ কোনো শিশু বড়দের কাতারে দাঁড়ালে পেছনের মুসল্লিদের নামাজ নষ্ট হয়ে যায়-এমন ধারণা অনেকের আছে। এ কারণে কখনো কখনো শিশুকে বড়দের কাতার থেকে সরিয়ে পেছনে দাঁড় করানো হয়।
বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) বলেছেন, যার মধ্যে চারটি স্বভাব থাকবে, সে হলো মুনাফিক। আর যার মধ্যে একটি স্বভাবও অবশিষ্ট থাকবে, সে তা থেকে মুক্ত হওয়া পর্যন্ত মুনাফিক হিসেবেই গণ্য থাকবে।
অতিরিক্ত রাগ একটি মানবীয় দোষ। মানুষের চাহিদার বিপরীত হলে মানুষ রাগ করে থাকে।
মানুষ হিসেবে রাগ থাকাটা দোষের কিছু নয়। তবে রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারাটা দোষের।
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবীজিকে (সা.) বলল, ‘আমাকে উপদেশ দিন’। তিনি বললেন, ‘রাগ কর না’।