রাতে নখ কাটা নিয়ে সমাজে নানা ধরনের কথা প্রচলিত আছে। কেউ বলেন, রাতে নখ কাটলে রিজিক কমে যায়। কেউ বলেন, এতে অমঙ্গল হয়। আবার কেউ এটিকে ধর্মীয় বিধান বলেও মনে করেন। কিন্তু কোরআন-সুন্নাহ কি এ কথা সমর্থন করে?
ইসলাম
বান্দার প্রতি আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ ঘুম। সারাদিনের কঠোর পরিশ্রমের পর ঘুমের মাধ্যমে শারীরিক শক্তি ও মানসিক সক্ষমতা ফিরে আসে। মহান আল্লাহ রাত ও ঘুমকে ঠিক এই উদ্দেশ্যেই সৃষ্টি করেছেন। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-ফুরকানের ৪৭ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, তিনিই তোমাদের জন্য রাতকে করেছেন আবরণ, ঘুমকে করেছেন ক্লান্তি দূরকারী আর দিনকে করেছেন পুনরুজ্জীবনের সময়।
মান-অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি, হাসি-কান্না কিংবা অভিমান ভাঙার মুহূর্ত—এ সবই একটি স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবনের অংশ। কিন্তু এসব পরিস্থিতি কীভাবে সামলাতে হবে, কীভাবে ভালোবাসা ও সম্মান অটুট রেখে মতভেদ মিটিয়ে নিতে হবে—তার সর্বোত্তম আদর্শ স্থাপন করেছেন মহানবী (সা.)।
অনেকেই জানতে চান, ফরজ গোসলের কথা মনে না রেখেই যদি সাধারণ অভ্যাস অনুযায়ী গোসল করা হয়, কুলি করা হয়, নাকে পানি দেওয়া হয় এবং পুরো শরীর ধোয়া হয়, তাহলে কি সেই গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জিত হবে? নাকি আবার নতুন করে ফরজ গোসল করতে হবে? ইসলামি শরিয়তে এ বিষয়ে রয়েছে স্পষ্ট নির্দেশনা।
মসজিদ আল্লাহ তাআলার ঘর। এতে তাঁর জিকির ও ইবাদত হয়। তাঁর বড়ত্ব ও মহিমার বর্ণনা হয়। তাঁর তাওহিদ ও রুবুবিয়াতের আলোচনা হয়।
মৃত ব্যক্তির গোসলের শতসিদ্ধ নিয়ম আমরা সবাই জানি। নারীদের গোসল করাবে নারীরা, পুরুষের বেলায় পুরুষ। তবে অনেকের মনে এক্ষেত্রে একটা প্রশ্ন জাগে—স্ত্রী তার সদ্য মৃত স্বামীকে গোসল করাতে পারবে কিনা?
বিশেষ ও বরকতময় মুহূর্তের কথা বলা হয়েছে, যখন বান্দার ডাক সরাসরি আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায় এবং দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
সময় আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। যে ব্যক্তি সময়ের মূল্য বোঝে না, সে প্রকৃত অর্থেই ক্ষতিগ্রস্ত। সময় থেকে বরকত শুধু সেই ব্যক্তির জীবন থেকেই উঠে যায়, যে এর অপচয় করে।
বর্তমানে হাদিসের ক্ষেত্রে অবহেলা ও অসতর্কতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। হাদিসের নামে কিছু পেলেই তা গ্রহণ করা হচ্ছে। যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই তা বর্ণনা করা হচ্ছে। ফলে সমাজে বিভিন্ন প্রকার মুনকার, ভিত্তিহীন ও জাল বর্ণনা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়ে গেছে। অথচ হাদিস কোরআনের মতো ওহি এবং দ্বিনের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস। সুতরাং হাদিসের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা এবং যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করা ও বর্ণনা করা আবশ্যক।
নামাজ ইসলাম ধর্মের অন্যতম স্তম্ভ। প্রতিটি মুসলমান নর-নারীর ওপর নামাজ পড়া ফরজ। কিয়ামতের দিন প্রথম হিসাব নেওয়া হবে নামাজের। যতই ব্যস্ততা থাকুক না কেন ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য জরুরি হলো, নামাজের সময়সূচি জানা।
পরিবেশের বর্তমান অবস্থা, জলবায়ু সংকট এবং মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড কীভাবে প্রকৃতির ওপর প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে প্রায়ই নানা গবেষণা ও সংবাদ প্রকাশিত হয়। এসব খবর আমাদের সজাগ করে তোলে এবং পরিবেশের জন্য কল্যাণকর সিদ্ধান্ত নিতে উদ্বুদ্ধ করে।
নামাজে একাগ্রতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে অনেক সময় অসতর্কতা, মনোযোগের ঘাটতি বা অন্য কোনো কারণে নামাজির মনে সন্দেহ তৈরি হয়। তিনি কত রাকাত নামাজ পড়েছেন তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে যান। তিন রাকাত হয়েছে নাকি চার রাকাত, তা মনে না থাকলে কী করবেন—এ বিষয়ে ইসলামে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
সালাতে খুশু-খুজু ও একাগ্রতা বজায় রাখতে দৃষ্টি নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই মুমিনরা সফল হয়েছে, যারা নিজেদের সালাতে বিনয়, নম্র (খুশু-খুজুসম্পন্ন)।’ (সুরা মুমিনুন: ১-২) তাই অনেক মুসল্লির মনে প্রশ্ন জাগে- রুকুর সময় চোখ কোথায় রাখা সুন্নাহ? সেজদার স্থানে, পায়ের দিকে, নাকি অন্য কোথাও?
ইসলাম গ্রহণ মানুষের জীবনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর একটি। আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস এবং হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে সর্বশেষ রাসুল হিসেবে মেনে নেওয়ার মাধ্যমে একজন মানুষ ইসলামে প্রবেশ করেন। এর মধ্য দিয়ে তার জীবনে শুরু হয় আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে নতুন যাত্রা।
আজ মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩, ১৯ সফর, ১৪৪৮।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
মানুষের জীবন সুখ-দুঃখ, স্বস্তি-সংকট এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার এক চলমান অধ্যায়। কখন যে জীবনে কঠিন বিপদ নেমে আসে, কখন দুর্ভাগ্য চারদিক থেকে ঘিরে ধরে, কিংবা কখন এমন কোনো ফয়সালার মুখোমুখি হতে হয় যা হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করে তোলে—তা কেউ জানে না।