ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো নামাজ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। তাই জীবনের ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।
ইসলাম
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।
আল্লাহর জন্য পশু উৎসর্গ দেওয়াকে কোরবানি বলে। কোরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ ইবাদত। আল্লাহর রাসুল (সা.) কোরবানি করতে উৎসাহ দিয়েছেন। যারা সামর্থ্যবান তাদের জন্য ওয়াজিব। আর যারা করবেনা, তাদের রাসুল (সা.) ভর্ৎসনা করেছেন।
অজু করতে বসলে আমরা সাধারণত হাত-মুখ-পা ধোয়ার কথাই ভাবি। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (স.) এমন একটি আমলের কথা বলেছেন, যা করলে কেবল অজুর অঙ্গগুলো নয়, পুরো শরীর পবিত্র হওয়ার সওয়াব পাওয়া যায়। সেই আমলটি হলো অজুর শুরুতে মাত্র একটি শব্দ- ‘বিসমিল্লাহ’।
ইসলামে এমন কিছু আমল আছে যা করতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড লাগে, অথচ ফজিলত সীমাহীন। তেমনই একটি জিকির হলো ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’। অর্থ: ‘আমি আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি এবং তাঁরই প্রশংসা করছি।’
হজ ইসলামের পাঁচটি রুকনের একটি। ইহরাম বাঁধার পর থেকে হজের নির্ধারিত আমলগুলো সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কিছু বিষয় কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর নিষেধাজ্ঞা হলো স্ত্রী সহবাস। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- ‘হজের নির্দিষ্ট কয়েকটি মাস রয়েছে।
পবিত্র জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের মর্যাদা ও গুরুত্ব অপরিসীম। মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে এই ১০ রাতের কসম খেয়েছেন (সুরা ফাজর: ২) রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন- ‘জিলহজের প্রথম ১০ দিনের আমলের চেয়ে অন্যকোনো দিনের আমলই উত্তম নয়।’ (সহিহ বুখারি: ৯৬৯) বিশেষ করে যারা কোরবানি দেওয়ার ইচ্ছা রাখেন, তাদের জন্য এই দিনগুলোতে সুন্নাহ ও শরিয়তের বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে।
কোরবানি একটি ইবাদত। এই ইবাদতের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবেহ করা। আল্লাহ তায়ালা কোরবানি শুধু তার জন্যই করার আদেশ দিয়েছেন। বর্ণিত হয়েছে, বলে দাও, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার ইবাদত ও আমার জীবন-মরণ সবই আল্লাহর জন্য, যিনি জগতসমূহের প্রতিপালক।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।
ঈদুল আজহা ঘনিয়ে এলেই একটি পরিচিত বিতর্ক সামনে আসে- ‘পশুপ্রেম’ বা ‘অমানবিকতা’র যুক্তি তুলে কোরবানির বিরোধিতা। কিন্তু কোরআন, সুন্নাহ ও আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কোরবানি কোনো উদ্দেশ্যহীন রক্তপাত নয়; বরং এটি স্রষ্টার প্রতি আনুগত্য, মানবকল্যাণ ও প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার একটি সুপরিকল্পিত বিধান।
মৃত্যু মানবজীবনের এক অমোঘ ও অবশ্যম্ভাবী সত্য। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জীবমাত্রই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণকারী; তারপর তোমরা আমারই কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।’ (সুরা আনকাবুত: ৫৭) ইসলামি পরিভাষায় মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তে মানুষ যে বিশেষ শারীরিক ও আধ্যাত্মিক অবস্থার মধ্য দিয়ে যায়, তাকে বলা হয় ‘সাকরাতুল মাউত’, যার অর্থ মৃত্যুযন্ত্রণা বা মৃত্যুর ঘোর।
ইমানের পর ইসলামের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল হলো সালাত বা নামাজ। নামাজ ইসলামের প্রাণ। মুমিন এবং কাফেরের মাঝে বড় পার্থক্য হলো নামাজ। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও নফল নামাজ পড়ার বিধান ইসলামি শরিয়তে রয়েছে।
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের সরল পথ দেখিয়েছেন। আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই, এবং আমরা তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।
জিলহজ মাস অতি সন্নিকটে। এ মাসের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। রমজান মাসকে ইবাদতের বসন্তকাল হিসেবে আমরা সবাই জানি।
পবিত্র ঈদুল আজহা সমাগত। সামর্থ্যবান মুসলিমদের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। আমাদের দেশের সামাজিক কাঠামোতে অনেক পরিবারেই দেখা যায় সন্তান উপার্জনক্ষম হলেও বাবা পরিবারের প্রধান হিসেবে থাকেন। এমন পরিস্থিতিতে ছেলের উপার্জিত অর্থে বাবার কোরবানি দেওয়া এবং যৌথ পরিবারের কোরবানি নিয়ে কিছু সূক্ষ্ম শরয়ি বিধান ও সাধারণ ভুল পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।
কোরবানির পশু জবাইয়ের আগমুহূর্তে অনেক সময় দেখা যায় চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে। এই দৃশ্যটি দেখে সাধারণ মানুষের মনে নানা কৌতূহল ও আধ্যাত্মিক প্রশ্নের জন্ম দেয়। অনেকে মনে করেন, পশু তার আসন্ন মৃত্যু দেখতে পেয়ে কাঁদছে; কেউবা একে অলৌকিক কোনো ঘটনার ইঙ্গিত মনে করেন।