মসজিদ আল্লাহর ঘর। মুমিনের সিজদার জায়গা। ইসলামী সভ্যতা ও জীবনধারার প্রাণকেন্দ্র। মসজিদের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুমিনের আবেগ, ভালোবাসা ও গভীর অনুরাগ। মসজিদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে এবং মসজিদের সঙ্গে সবসময় যার যার মন জুড়ে থাকে তার জন্য সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে হাদিসে।
ইসলাম
কোরবানি ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত। সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর এটি ওয়াজিব হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদায় করা জরুরি। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে- কোনো কারণে ওয়াজিব কোরবানি বাদ পড়ে গেলে শুধু তাওবা করলেই কি দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়?
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, পুরুষ কিংবা নারীর মধ্যে যে ব্যক্তিই নেক আমল করবে এমতাবস্থায় সে হবে একজন মুমিন, তাহলে অবশ্যই তাকে আমি দুনিয়ার বুকে পবিত্র জীবনযাপন করাব এবং আখিরাতের জীবনেও আমি তাদের কার্যক্রমের অবশ্যই উত্তম বিনিময় দান করব। (সুরা আন নাহল, আয়াত ৯৭)।
মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। ঈদুল ফিতরের দুই মাস ১০ দিন পর বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা ধর্মীয় উৎসব পালন করেন। মহান আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আ.) তার প্রিয় পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করতে প্রস্তুতি নেন।
কোরবানি সামাজিক রীতি হলেও আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত। আমাদের অর্থবিত্ত, সংসার ও সমাজ তাঁর উদ্দেশ্যেই নিবেদিত। কোরবানি হচ্ছে সেই নিবেদনের একটি প্রতীকমাত্র।
ঈদ মুসলিম উম্মাহর জন্য আনন্দ, ইবাদত ও আল্লাহর শুকরিয়া আদায়ের বিশেষ দিন। এই দিনে কী খাওয়া হবে, কখন খাওয়া হবে — এসব বিষয়েও ইসলামে সুন্দর দিকনির্দেশনা রয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনের খাবারের ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসৃত কিছু সুন্নত আমল রয়েছে, যা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আদর্শ।
পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানিকে কেন্দ্র করে মুসলমানদের মধ্যে নানা মাসয়ালা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো- কোরবানির উদ্দেশ্যে পশু কেনার পর সেটি কোরবানি না করলে বা অন্য পশু দ্বারা পরিবর্তন করলে শরিয়তের বিধান কী? হানাফি মাজহাব অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে ধনী ও গরিব ব্যক্তির বিধান সম্পূর্ণ আলাদা।
মুসলিম উম্মাহর উৎসবগুলো কেবল নিছক আনন্দ নয়, বরং তা অন্য যেকোনো জাতির উৎসব থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র এবং অনন্য বৈশিষ্ট্যে ভাস্বর।
কোরবানির আমেজে ঈদুল আজহার দিন মুসলমানরা ঈদগাহ বা মসজিদে একত্রিত হয়ে আদায় করেন ঈদের বিশেষ নামাজ।
ইসলামি জীবনবিধানে হালাল ও হারামের পার্থক্য অত্যন্ত সুষ্পষ্ট। মহান আল্লাহ তায়ালা মুমিনদের জন্য পবিত্র ও কল্যাণকর সব বস্তুকে হালাল করেছেন এবং অপবিত্র ও ক্ষতিকর বিষয়গুলোকে করেছেন হারাম।
মুসলিম উম্মাহর জন্য ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর এক আনন্দের দিন ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ।
গত সোমবার শুরু হয়েছে পবিত্র হজ। এরপর মঙ্গলবার (২৬ মে) আরাফাত ময়দানে সমবেত হয়েছেন ১৬ লাখেরও বেশি হাজি।
আজ বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, ০৯ জিলহজ ১৪৪৭।
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ—
এবারের হজের খুতবায় উঠে এলো এক গভীর বার্তা- ইতিহাসে যারা জুলুম করেছে, আল্লাহ তাদের কীভাবে ধ্বংস করেছেন, সেই শিক্ষা যেন আমরা ভুলে না যাই।
গরু বা মহিষের কোরবানিতে একাধিক ব্যক্তি শরিক হওয়া বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত। তবে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে- যদি কোনো শরিকের উপার্জন হারাম হয়, তাহলে অন্য শরিকদের কোরবানি শুদ্ধ হবে কি? বিশেষ করে কেউ যদি এ বিষয়টি আগে থেকে না জানেন, তাহলে তার কোরবানির হুকুম কী- এ নিয়ে অনেকের মনে সংশয় থাকে।
কোরবানির পশু কেনার পর অনেকেই সেটিকে সুন্দর ও পরিষ্কার রাখার জন্য লোম ছাঁটেন কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশ পরিচর্যা করেন। তবে কোরবানির জন্য নির্ধারিত পশুর সৌন্দর্য ও পূর্ণতা নষ্ট হয়—এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।