কেরানীগঞ্জে ভারতীয় মেডিক্যাল শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী হোস্টেল থেকে এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, নাকি অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তার তদন্ত চলছে। পুলিশ বলছে, নিহত শিক্ষার্থীর নাম নিদা খান (১৯)। তিনি ভারতের রাজস্থানের সুলতানপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ত্রিপুরা দেলোয়ার এলাকার আবদুল আজিজ খানের মেয়ে।

তিনি ছিলেন আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সৈয়দ মো. আকতার হোসেন গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ছাত্রী হোস্টেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তদন্ত চলছে। ছাত্রীর সহপাঠীদের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, পড়ালেখার চাপে ছিলেন নিদা খান।

সম্প্রতি পরীক্ষা দিতে গিয়ে ‘নকল’সহ ধরা পড়েন তিনি। এ নিয়ে মানসিকভাবে হতাশ ছিলেন। পুলিশ জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তাঁর লাশ মর্গে রয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, দূতাবাসের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীর লাশ তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।

 

শনিবার রাতে আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেল থেকে ওই শিক্ষার্থীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ছরোয়ার হোসেন শনিবার দুপুর থেকে রাতের যেকোনো সময়ে নিদা খান মারা যান জানিয়ে বলেন, সারা দিন তাঁর কক্ষের দরজা বন্ধ ছিল। তাঁর সহপাঠী ও হোস্টেল কর্তৃপক্ষের ধারণা ছিল তিনি রুমে ঘুমিয়ে আছেন। দীর্ঘ সময় তাঁর কোনো সাড়া না পেয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।