০৭ জানুয়ারী, ২০২৬
ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হলে ইউক্রেনের ভূখণ্ডে সেনা মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।তারা ইউক্রেনের নিরাপত্তা গ্যারান্টি সমর্থন করে এবং যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) প্যারিসে অনুষ্ঠিত তথাকথিত ‘ইচ্ছুকদের জোট’ এর শীর্ষ সম্মেলনে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। এই জোট ৩৫টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত, যারা রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সমর্থন জানাচ্ছে।
এ বিষয়ে ২৭টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের উপস্থিতিতে প্যারিসে আলোচনার পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন। সেখানে যুদ্ধ-পরবর্তী সেনা মোতায়েনের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। ম্যাক্রোঁ জানান, প্যারিস ‘কয়েক হাজার’ সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
এছাড়া, মার্কিন প্রতিনিধিরাও এই আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফ, ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ইউরোপে মার্কিন শীর্ষ জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকিউইচ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। উইটকফ বলেন, ট্রাম্প নিরাপত্তা প্রটোকলের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছেন এবং ইউক্রেনের জনগণের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেন তারা জানে যে, যুদ্ধ শেষ হলে তা চিরতরে শেষ হয়ে যাবে।
জ্যারেড কুশনার প্যারিসের বৈঠকটিকে ‘একটি বড় মাইলফলক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইউক্রেনীয়রা যদি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, তবে তাদের জানতে হবে, চুক্তির পর তারা নিরাপদ থাকবে এবং তাদের কাছে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে।