২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, জামালখান চট্টগ্রামের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের এক অনন্য মিলনস্থল। আমাদের লক্ষ্য হলো এই এলাকার ঐতিহ্যের সঙ্গে আধুনিক নাগরিক সুবিধার সমন্বয় ঘটানো। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জামালখান শুধু চট্টগ্রামের নয়, সারা দেশের একটি মডেল ও নান্দনিক এলাকায় পরিণত হবে।
শনিবার জামালখান মোড়ে ‘সৌন্দর্যবর্ধন’ প্রকল্পের ফলক উন্মোচনকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, শহরকে সুন্দর রাখার দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের নয়, নাগরিকদেরও। নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা এবং স্থাপনাগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে সচেতন থাকলেই এই সৌন্দর্য দীর্ঘস্থায়ী হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. গোলাম কাদের চৌধুরী নোবেল, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য শাহেদ বক্স, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক তৌহিদুশ সালাম নিশাদ, চসিকের বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হাসান জয় প্রমুখ।
চসিক সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় জামালখান এলাকার ফুটপাত প্রশস্ত ও পথচারীবান্ধব করা হবে। সড়কের দুই পাশে পরিকল্পিতভাবে শোভাবর্ধক বৃক্ষরোপণ, আধুনিক ‘স্মার্ট পোল’ স্থাপন ও দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি চট্টগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতিচিত্র তুলে ধরতে ম্যুরাল ও টেরাকোটা শিল্পকর্ম স্থাপন করা হবে, যা এলাকাটিকে একটি শৈল্পিক আবহ দেবে।
বিডি প্রতিদিন/কেএইচটি