১৬ মার্চ, ২০২৬
হতাশাজনক সময় কাটিয়ে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে জয়ের ম্যাচে দুটি গোলে সহায়তা করে ক্লাবটির কিংবদন্তি ডেভিড বেকহ্যামের ২৬ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। রোববার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ভিলাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে ইউনাইটেড।
মাইকেল ক্যারিকের অধীনে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ানো দলটির ৩০ ম্যাচে ১৫ জয় ও ৯ ড্রয়ে পয়েন্ট এখন ৫৪। সমান ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে ভিলা।
ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে ফের্নান্দেসের ক্রস থেকে হেডে ইউনাইটেডকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। ১১ মিনিট পর সমতায় ফেরে ভিলা। সাত মিনিটের মাথায় ফের্নান্দেসের বাড়ানো বল ধরে স্বাগতিকদের আবার এগিয়ে দেন আরেক ব্রাজিলিয়ান মাথেউস কুইয়া। বদলি হিসেবে নেমে ৮১তম মিনিটে দলের জয়সূচক গোলটি করেন বেনিয়ামিন সেসকো।
এর মধ্য দিয়ে চলতি মৌসুমে লিগে মোট ১৬টি অ্যাসিস্ট করলেন ফের্নান্দেস, যা ইউনাইটেডের হয়ে প্রিমিয়ার লিগের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৯৯-০০ মৌসুমে দলটির হয়ে ১৫টি অ্যাসিস্ট করেছিলেন ব্যাকহাম। শুধু তাই নয়, ২০২০ সালে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে যোগ দেওয়ার পর থেকে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রেড ডেভিলদের হয়ে ১০০টি অ্যাসিস্টের মাইলফলকও স্পর্শ করেন ফের্নান্দেস।
ব্যক্তিগত অর্জনের পর স্কাই স্পোর্টসকে ফের্নান্দেস বলেন, “আমি আরও বেশি গর্বিত এবং আনন্দিত কারণ আমি আমার সতীর্থদের সহায়তা করার মাধ্যমে এটি করেছি। অন্যদের আনন্দ দেওয়াও খুব ভালো একটি বিষয়।”
“আমি যে অবস্থানে খেলি যখন আপনি সেই অবস্থানে খেলেন, আমি খুব খুশি যে আমি তাদের গোল করতে এবং সেই মুহূর্তে খুশি হতে সাহায্য করতে পারি।” তবে এখানেই থামতে চান না ফের্নান্দেস। নিজের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে ৩১ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, “এটি আমার জন্য একটি বিশাল অর্জন। কিন্তু মূল অর্জনটি হবে মৌসুমের শেষে শীর্ষস্থানে থাকা।”
চলতি মৌসুমে লিগে এখনও আটটি ম্যাচ বাকি আছে ইউনাইটেডের। ফলে ২০০২-০৩ মৌসুমে থিয়েরি অঁরি এবং ২০১৯-২০ মৌসুমে কেভিন ডি ব্রুইনার গড়া এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ২০টি অ্যাসিস্টের প্রিমিয়ার লিগ রেকর্ড স্পর্শ করার হাতছানি এখন ফের্নান্দেসের সামনে।