২৫ এপ্রিল, ২০২৬
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদসহ তিন নেতার বিরুদ্ধে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেছে সংগঠনটির একাংশ। অভিযুক্ত অন্য দুই নেতা হলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মঈনুল ইসলাম ও মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম।
এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি বিলুপ্তির চেষ্টা, গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণার জন্য পাওয়া সরকারি অনুদানের তথ্য গোপন এবং ব্যয়ের হিসাব কেন্দ্রীয় ফোরামে উপস্থাপন না করে তছরুপের অভিযোগ তোলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি সরকার বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এই সংগঠন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়। এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে কর্মী ও অংশীজনেরা, কোনো একক গোষ্ঠী নয়।’ তিনি অবিলম্বে ফান্ডের উৎস ও ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব প্রকাশ এবং দায়ীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ সময় কেন্দ্রীয় মুখপাত্র সিনথিয়া জাহীন আয়েশা অভিযোগ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও, সেই কার্যক্রমের জন্য প্রাপ্ত অর্থের উৎস ও ব্যয়ের তথ্য তার কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছে। ‘সংগঠনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে আয়-ব্যয়ের তথ্য জানার অধিকার আমার রয়েছে। কিন্তু বারবার জবাবদিহিতা চাওয়ার পরও বিষয়টি অস্বীকার ও এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, গত ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক কেন্দ্রীয় বৈঠকে ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের আগে উপস্থিতদের মোবাইল ফোন জমা নেওয়া হয়, যাতে কোনো তথ্য সংরক্ষণ করা না যায়। ওই বৈঠকেই একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অন্তত ১ কোটি টাকা সংগ্রহের বিষয়টি স্বীকার করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তারা এ বিষয়ে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।