১৬ মে, ২০২৬
সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ও মুন্সীগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সিনহার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের রাজনীতি ও স্বাস্থ্য খাতে সিনহার অবদান সর্বদা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হবে।
তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী এ কথা জানান।
মিজানুর রহমান সিনহা আজ ভোরে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে ৮২ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ নোভেনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কোষাধ্যক্ষ সিনহা ১৯৯৬ সালের সপ্তম এবং ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-২ আসন থেকে দলের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ তিনি জেলা বিএনপি কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি শুরুতে তাকে মনোনয়ন দিলেও অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চূড়ান্ত মনোনয়ন পরিবর্তন করে।
রাজনীতির পাশাপাশি স্থানীয় সামাজিক উন্নয়ন ও দাতব্য কর্মকাণ্ডেও তার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। মিজানুর রহমান সিনহা দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
তিনি ১৯৬৪ সালে হাবিব ব্যাংক লিমিটেডে কর্মজীবন শুরু করেন এবং সেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পর ১৯৭৬ সালে একমি-তে যোগদান করেন।
এর উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা, তাঁর পিতা প্রয়াত হামিদুর রহমান সিনহার স্বপ্ন পূরণ করা। ১৯৮১ সালে তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন। তার ৪৯ বছরের অভিজ্ঞতা, নিষ্ঠা এবং দূরদর্শী নেতৃত্ব একমি-কে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ওষুধ কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।