২৭ মে, ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দিনাজপুরের হিলির পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমেছে সব ধরনের মসলার দাম। একইসঙ্গে কমেছে দেশি পেঁয়াজ, আদা, রসুনসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও।
সরেজমিনে হিলির মসলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিভিন্ন দোকানে ক্রেতাদের ভিড় বেড়েছে। ঈদ সামনে রেখে প্রয়োজনীয় মসলা কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
ক্রেতা জসিম বলেন, প্রতি বছর ঈদুল আযহার আগে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মসলাসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো হলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বাজারে পর্যাপ্ত পণ্য রয়েছে এবং গতবারের তুলনায় দামও কিছুটা কম। এতে সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় এসব পণ্যের দাম কমেছে। এতে ঈদের বাজারে স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে দাম নাগালের মধ্যেই থাকবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
মসলা ব্যবসায়ী তৌহিদ জানান, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমেছে। বর্তমানে জিরা প্রতি কেজি ৭০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকায়। সাদা এলাচ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকায়। কালো এলাচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২ হাজার ৬০০ টাকায়।
এছাড়া দেশি পেঁয়াজ কেজিতে ১০ টাকা কমে ৩৫ টাকা, আদা ৫০ টাকা কমে ১২০ টাকা এবং রসুন ৬০ টাকা কমে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. তানজিনা খাতুন বলেন, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বাজারে পণ্যের দাম স্বাভাবিক রয়েছে। কেউ মজুত বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, ঈদ উপলক্ষে পেঁয়াজ, আদা, রসুন ও মসলাজাতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে। এ সুযোগে যাতে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।