জায়েদ খানের স্বল্পদৈর্ঘ্যে ফুটে উঠেছে, প্রবাসীদের বুক ভেঙে যাওয়া ঈদ

২৭ মে, ২০২৬

চলতি বছরের মার্চে মুক্তি পাওয়া ‘ইমিগ্র্যান্ট ডায়েরিজ’-এর প্রথম পর্ব দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার মুক্তি পেয়েছে দ্বিতীয় পর্ব ‘ঈদ মোবারক’।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনসংগ্রাম ও বাস্তবতার গল্প নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটিতে উঠে এসেছে প্রবাস জীবনের দুঃখ বেদনার ঈদ। এমন একটি আনন্দের দিনে প্রিয়জনদের অভাব-অনুপস্থিতি বুকে কতটা হাহাকার তৈরি করে, দেখানো হয়েছে সে গল্প।

জন কবির ও সাদ আল আমীনের যৌথ পরিচালনায় নির্মিত এই পর্বেও অভিনয় করেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা জায়েদ খান। বিশেষ ভূমিকায় রয়েছেন মার্কিন রাজনীতিক ও নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এই পর্বে নিউ ইয়র্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনসংগ্রাম, স্বপ্ন, টিকে থাকার লড়াই এবং বাস্তবতার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। নির্মাতাদের ভাষ্য, এটি শুধু কাল্পনিক গল্প নয়, বরং প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতিদিনের জীবনের প্রতিফলন।

চলচ্চিত্রটিতে জায়েদ খানের পাশাপাশি জোহরান মামদানির উপস্থিতিও দর্শকদের নজর কেড়েছে। মুক্তির পর নিউ ইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে এটি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে চিত্রনায়ক জায়েদ খান বলছেন, ‘এই গল্প প্রতিটি প্রবাসী মানুষের গল্প। আপনি চিন্তা করেন একটা মানুষ বছরের সবচেয়ে আনন্দের দিন পার করছে একা। তার মনের অবস্থা কেউ বুঝবে না। হৃদয় ভেঙেচুড়ে যায়। তারপরেও ভিডিও কলে স্বজনদের সঙ্গে কথা বলতে হয় চোখের পানি লুকিয়ে, নকল হাসি তৈরি করে। এসবই উঠে এসেছে আমাদের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটিতে।’

‘এরই মধ্যে মানুষজন আমাকে ফোন করে অভিনন্দন জানাচ্ছে, কেউ কেউ তাদের ভালো লাগা প্রকাশ করতে গিয়ে কেঁদে ফেলছেন। হয়তো আমিও কেঁদে ফেলছি। আমি সত্যিই আপ্লুত’— যোগ করেন তিনি।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি প্রকাশ পেয়েছে ‘ঠিকানা’র ইউটিউব ও ফেসবুক পেজে।