২০ মিনিটের বৈঠকে থালাপতি বিজয়ের ৩ দাবি মোদির কাছে

২৭ মে, ২০২৬

ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবারের মতো নয়াদিল্লি সফরে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ থালাপতি বিজয়।

বুধবার (২৭ মে) প্রায় ২০ মিনিটের ওই বৈঠকে তিনি রাজ্যের স্বার্থসংশ্লিষ্ট একাধিক বিষয় তুলে ধরেন। যার মধ্যে ছিল মেকেদাতু বাঁধ প্রকল্প, তামিলনাড়ুর রাজ্য সংগীত এবং ঐতিহাসিক তাম্রফলক ফেরত আনার বিষয়।

সম্প্রতি হল্যান্ড থেকে প্রাচীন তাম্রফলক ফিরিয়ে আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ জানান বিজয়।

বৈঠকে তিনি কর্ণাটকের প্রস্তাবিত মেকেদাতু বাঁধ প্রকল্প নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিজয়ের মতে, দুই রাজ্যের সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় একতরফাভাবে বাঁধ নির্মাণ করা হলে তামিলনাড়ুর নিম্নপ্রবাহ অঞ্চলে পানির প্রাপ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি মোদিকে বলেন, কর্ণাটক সরকারের এমন কোনো পদক্ষেপ কাবেরী পানি বিরোধ ট্রাইব্যুনাল এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের চেতনার পরিপন্থী হবে।

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় সরকারি অনুষ্ঠানের শুরুতে তামিলনাড়ুর রাজ্য সংগীত বাজানোর অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

তার এই অনুরোধের পেছনে রয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দেশনা। ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, জাতীয় সংগীত এবং জাতীয় গান একসঙ্গে পরিবেশিত হলে প্রথমে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত ‘বন্দে মাতরম’-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া হবে।

বিজয় চান, সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত বা জাতীয় গানের পাশাপাশি তামিলনাড়ুর রাজ্য সংগীতও যথাযথ মর্যাদায় পরিবেশনের সুযোগ দেওয়া হোক।

চলতি মাসে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটাই ছিল বিজয়ের প্রথম সরকারি দিল্লি সফর।

সফরে তিনি কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, পানি বণ্টন এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী মোদির সামনে তুলে ধরেন।

বিশেষ করে কাবেরী নদীর পানি বণ্টনকে ঘিরে তামিলনাড়ু ও কর্ণাটকের দীর্ঘদিনের বিরোধের প্রেক্ষাপটে মেকেদাতু বাঁধ প্রকল্পের বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

সূত্র : এনডিটিভি