ভাইরাল হওয়া সেই লাইলা খালার পাশে জেলা প্রশাসন

২৮ মে, ২০২৬

বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে গান গাওয়া যার কাজ বা নেশা। কেউ তাকে ডাকে লাইলী বাউল, কেউ ডাকে লাইলা খালা আবার কেউ ডাকেন লায়লা আক্তার।

নজরুল সংগীত গেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া লোকসংগীত শিল্পী লাইলী আক্তারের পাশে দাঁড়িয়েছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের ব্যবহার অনুপযোগী বসতবাড়ি পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম। 

বুধবার (২৭ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের বাংলোবাড়িতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে লায়লা আক্তারের হাতে আর্থিক সহায়তার টাকা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিন্টু বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সোহরাব হোসাইন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহাসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। 

জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বলেন, লাইলী আক্তার আমাদের জেলার গর্ব। তার কণ্ঠে গ্রামীণ সংস্কৃতির যে আবেগ ও ঐতিহ্য ফুটে উঠেছে, তা ইতোমধ্যে মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। একজন শিল্পীর জীবনমান উন্নয়নে সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, লাইলী আক্তারের বসতবাড়িটি অত্যন্ত জরাজীর্ণ ও বসবাসের অনুপযোগী। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার বাড়ি পুনর্নির্মাণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এসময় জেলা প্রশাসক জানান, লাইলীর বিষয়টি সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ঈদের পরে যে কোন সময়ে তার জন্য সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হবে ।  

সহায়তা পেয়ে আবেগাপ্লুত লাইলী আক্তার জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমি কখনো ভাবিনি আমার গান এত মানুষের ভালোবাসা পাবে। জেলা প্রশাসন আমার পাশে দাঁড়ানোয় আমি অনেক খুশি।

এদিকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ব্যক্তিরা জেলা প্রশাসনের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, এমন উদ্যোগ শিল্পীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং গ্রামীণ সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আলিয়া মাদ্রাসা মাঠের জামাতে মহিলা ও শিশুদের নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা প্যান্ডেলের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ একরামুল হক ও সেক্রেটারি হাফিজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দীন আহমদ।

নগরীর ব্যস্ততম বন্দরবাজার এলাকার কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদে পৃথক ৩টি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। কুদরত উল্লাহ মসজিদে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন ড. মাওলানা এএইচএম সোলায়মান। এ মসজিদে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মিফতাহ উদ্দীন আহমদ।

এরপর সকাল ৯টায় কুদরত উল্লাহ মসজিদে তৃতীয় ও শেষ জামাতে ইমামতি করবেন হাফেজ মাওলানা হোসাইন আহমদ। নগরীর কোর্ট পয়েন্ট সংলগ্ন ঐতিহ্যবাহী কালেক্টরেট জামে মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৬টায়। কালেক্টরেট মসজিদের এই জামাতে ইমামতি করবেন প্রধান ইমাম ও খতিব মাওলানা শাহ আলম।

এ ছাড়া সিলেটের অন্যতম পবিত্র স্থান হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিটি ঈদগাহ ও মসজিদে মুসল্লিদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠুভাবে নামাজ আদায়ের জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।