৩১ মে, ২০২৬
ভুঁড়ি ভুনা বাঙালির অন্যতম জনপ্রিয় একটি খাবার। সাধারণত মসলার ঝাঁজ আর দীর্ঘ সময় ধরে কষিয়ে রান্না করেই তৈরি করা হয় এ পদ।তবে একই স্বাদের ভুঁড়ি ভুনা বারবার খেতে খেতে যদি নতুন কিছু চেষ্টা করতে চান, তাহলে যোগ করতে পারেন নারকেল দুধ।
এটি ভুঁড়ির স্বাদকে আরও সমৃদ্ধ ও ক্রিমি করে তোলে, আর স্মোকি ফ্লেভার এনে দেয় ভিন্ন মাত্রা। ঘরেই সহজ কিছু উপকরণে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু নারকেল দুধের ভুঁড়ি ভুনা। জেনে নিন রেসিপি।
উপকরণ
গরুর ভুঁড়ি ১ কেজি
পেঁয়াজ কুচি ২ কাপ
আদা বাটা ১ টেবিল চামচ
রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ
শুকনা মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ
ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ
গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
নারকেল দুধ ১ কাপ
তেজপাতা ২টি
দারুচিনি ২ টুকরা
এলাচ ৩টি
কাঁচামরিচ ৪-৫টি
সরিষার তেল পরিমাণমতো
লবণ স্বাদমতো
কয়লার ধোঁয়া দেয়ার জন্য ছোট ছোট টুকরা কয়লা
যেভাবে তৈরি করবেন
প্রথমে একটি কড়াইয়ে সরিষার তেল গরম করে তাতে তেজপাতা, দারুচিনি ও এলাচ ফাটিয়ে নিন। সুগন্ধ বের হলে পেঁয়াজ কুচি যোগ করে বাদামি রং না আসা পর্যন্ত ভাজুন। এরপর আদা ও রসুন বাটা দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে কষিয়ে নিন। এবার সব গুঁড়া মসলা অল্প পানি দিয়ে মিশিয়ে ভালোভাবে ভুনে নিন, যেন মসলার কাঁচা ভাব দূর হয়।
মসলা প্রস্তুত হয়ে গেলে পরিষ্কার করা ভুঁড়ি কড়াইয়ে দিয়ে মাঝারি আঁচে প্রায় ১৫-২০ মিনিট কষান। এ সময় ভুঁড়ি থেকে যে পানি বের হবে, তা শুকিয়ে আসা পর্যন্ত ঢেকে রান্না করুন। এরপর নারকেল দুধ ঢেলে আরও প্রায় ১০ মিনিট রান্না করুন, যেন ভুঁড়ির সঙ্গে দুধের স্বাদ ভালোভাবে মিশে যায়। তারপর কাঁচামরিচ ও গোলমরিচের গুঁড়া ছড়িয়ে দিন।
স্মোকি স্বাদ আনতে একটি ছোট কয়লা ভালোভাবে জ্বালিয়ে একটি তাপ-সহনশীল বাটিতে রাখুন। বাটিটি কড়াইয়ের মাঝখানে বসিয়ে কয়লার ওপর সামান্য তেল ঢেলে সঙ্গে সঙ্গে ঢাকনা লাগিয়ে দিন। প্রায় ৩ মিনিট এভাবে ঢেকে রাখলেই ভুঁড়ি ভুনায় দারুণ স্মোকি ফ্লেভার চলে আসবে।