০২ জুলাই, ২০২৬
ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট (এমডিআর) বা মার্চেন্ট ফি সর্বোচ্চ ১ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই হার ভ্যাটসহ প্রযোজ্য হবে এবং এর বেশি কোনো মার্চেন্ট চার্জ আদায় করা যাবে না।
বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন নির্দেশনার আওতায় ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশের (এনপিএসবি) প্ল্যাটফর্মে পরিচালিত ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হওয়া সব মার্চেন্ট পেমেন্টে এই সীমা কার্যকর হবে। ব্যাংক হিসাব, ডেবিট ও প্রিপেইড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ, নগদ, রকেটসহ) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারের (পিএসপি) মাধ্যমে করা লেনদেনও এর আওতায় থাকবে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, মার্চেন্টদের কাছ থেকে একোয়ারিং ব্যাংক বা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ১ শতাংশ মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট আদায় করতে পারবে। এই হারেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জারি করা সার্কুলারে এনপিএসবির আওতায় পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস), বাংলা কিউআর এবং ই-কমার্স লেনদেনের মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন নির্দেশনায় আগের সার্কুলারের অন্যান্য ফি, চার্জ ও শর্ত অপরিবর্তিত রেখে শুধু বাংলা কিউআরের ক্ষেত্রে মার্চেন্ট ফি সর্বোচ্চ ১ শতাংশে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, নির্ধারিত এই হার সর্বোচ্চ সীমা হলেও একোয়ারিং প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে নিজস্ব ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ হিসেবে এর চেয়ে কম ফি নির্ধারণ, বিশেষ ছাড় বা প্রমোশনাল অফার এবং ক্যাশব্যাক সুবিধা দিতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এ উদ্যোগের ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের ব্যয় কমবে। পাশাপাশি ক্যাশলেস লেনদেনের প্রসার ঘটিয়ে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।