০৩ জুলাই, ২০২৬
শেয়ারবাজারে প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান।
তিনি বলেন, এই ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু হলে আইপিও আবেদনের ফাইলটি কোন দপ্তরে বা টেবিলে রয়েছে, তা সহজেই জানা যাবে। এতে আইপিও অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ হবে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর নিকুঞ্জের ডিএসই টাওয়ারে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংক থেকে সহজে ঋণ পাওয়া যায় বলে কোম্পানিগুলো আইপিওতে আসতে আগ্রহী হয় না। এজন্য আইপিও প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে চাই। লিস্টিং ফি কমানোর পাশাপাশি আইপিওতে ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হবে।
তিনি বলেন, আইপিও আবেদন সরাসরি ডিএসই ও সিএসইতে জমা দেওয়ার ব্যবস্থার পাশাপাশি ডিলিস্টিং রেগুলেশন ঢেলে সাজানো এবং বাজারকে পুরোপুরি অটোমেটেড করা হবে।
মাসুদ খান বলেন, বিদেশি বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং আর্থিক সাক্ষরতা কার্যক্রম ঢেলে সাজানো হবে। আমরা চাই শেয়ারবাজার ভাইব্রেন্টলি গ্রো করুক। আমরা সবাইকে নিয়ে একত্রে কাজ করবো।
অনুষ্ঠানে ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ দেড় দশকের মন্দা কাটিয়ে শেয়ারবাজার এখন ঘুরে দাঁড়ানোর চূড়ান্ত পর্যায়ে। বর্তমান কমিশনের সময়োপযোগী পদক্ষেপে গত তিন মাসে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার ইতিবাচক প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিএসইসি কমিশনার তানভীর হাবিব রহমান, নাহিদ মাহতাব ও মো. নাফিজ আল তারিকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।