০৯ জুলাই, ২০২৬
ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ লিমিটেডের লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত করেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার নিবন্ধন সনদ (রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) নবায়ন না করায় প্রতিষ্ঠানটিতে লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) থেকে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে (চলতি দায়িত্বে) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ - সিডিবিএলকে অবহিত করা হয়েছে।
সিএসই চিঠিতে জানায়, সিডিবিএলের ৫ জুলাই এবং ডিএসইর ২ জুলাই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজের লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিএসই।
এর আগে, ডিএসই স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়ন না করায় প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত করে। এর পরই সিডিবিএল প্রতিষ্ঠানটির ডিপি কার্যক্রমও বন্ধ করে দেয়। এ পরিস্থিতিতে সিএসইতে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং সিডিবিএল এ বিষয়ে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
তথ্য মতে, গত ২ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজের ট্রেডিং কার্যক্রম স্থগিত করে ডিএসই। বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটির স্টক ব্রোকার ও স্টক ডিলার নিবন্ধন সনদ নবায়ন করতে ব্যর্থ হয়। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বৈধ নিবন্ধন ছাড়া কোনো ট্রেক হোল্ডার শেয়ার লেনদেন পরিচালনা করতে পারে না। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির ট্রেডিং কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়। ডিএসইর ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর ৫ জুলাই সিডিবিএলও প্রতিষ্ঠানটির ডিপি কার্যক্রম স্থগিত করে। ফলে গ্রাহকদের বিও হিসাবসংক্রান্ত বিভিন্ন ডিপোজিটরি সেবাও আপাতত বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে, একই কারণে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন কার্যক্রম স্থগিত করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। পাশাপাশি ডিএসইর সিদ্ধান্তের পর সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ পিএলসি প্রতিষ্ঠানটির ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট (ডিপি) কার্যক্রম স্থগিত করেছে।