১১ জুলাই, ২০২৬
বৃষ্টির দিনে খিচুড়ি খেতে কার না ভালো লাগে? কিন্তু সব সময় ঘরে খিচুড়ি খাওয়ার প্রধান উপকরণ থাকে না। বিশেষ করে পোলাওর চাল। তবে, চাইলে ভাতের চাল দিয়েও খিচুড়ি রান্না করে খাওয়া যায়। সমস্যাটা হয়, ভাতের চাল দিয়ে ঝরঝরে খিচুড়ি রান্না করার কৌশল অনেকেই জানেন না। জানুন কীভাবে ভাতের চাল দিয়ে ঝরঝরে খিচুড়ি রান্না করবেন।
যেসব উপকরণ লাগবে
ভাতের চাল - ১ কাপ
ডাল - ১ কাপ
ভাতের চালের ভুনা খিচুড়ি।
মুরগির মাংস - ১/২ কেজি
আদা ও রসুন বাটা - ২ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি - আধা কাপ
আলু - ১/২ টা (মাঝারি সাইজের)
কাঁচা মরিচ - ৪/৫ টা (স্বাদমতো)
লবণ - স্বাদমতো
ভাতের চালের সাদা খিচুড়ি।
হলুদের গুঁড়া - ১/২ চা চামচ
মরিচের গুঁড়া - ২ টেবিল চামচ
গরম মসলা গুড়া - পরিমাণমতো
তেজপাতা - ২টি (মাঝারি)
দারুচিনি - ১ টা (বড়)
তেল - পরিমাণ মতো
প্রণালি
প্রথমে কড়াইয়ে তেল দিয়ে গরম করে নিন। তেল গরমে হয়ে এলে চুলার আঁচ কমিয়ে এতে দারুচিনি দিয়ে নেড়ে নিন। এতে করে রান্নায় একটা সুগন্ধ ছড়াবে। এরপর তেজপাতা ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দিয়ে নাড়ুন। পেয়াজের রঙ হালকা বাদামী হলে কড়াইয়ে একটু পানি দিয়ে আবার নাড়ুন। এর পর হলুদ, মরিচ, লবণ, আদা-রসুন বাটা দিয়ে মসলাটা কষিয়ে নিন।
ভাতের চালের ঝরঝরে খিচুড়ি।
মসলা কষানো হলে মাংস ও আলুর টুকরার সঙ্গে এক কাপ পানি দিয়ে নেড়ে দিন। এবার চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিন। সেদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। এর পর ধুয়ে রাখা চাল এবং ধুয়ে রাখা ভাজা ডাল মুরগির মাংসের সঙ্গে দিয়ে ৫-৭ মিনিট ভালো করে কষিয়ে নিন। রান্না কষানো হলে এই পর্যায়ে পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন।
পানি ফুটে এলে নেড়ে দিন। এরপর আঁচ কমিয়ে আধা ঘণ্টার মতো দমে রাখুন। এতক্ষণে চাল পুরোপুরি সেদ্ধ হয়ে যাবে। এবার নামিয়ে ঝরঝরে খিচুড়ি পরিবেশন করুন।
টিপস
বিভিন্ন ধরনের ডাল একসঙ্গে মিশিয়ে খিচুড়ি রান্না করলে স্বাদ বাড়ে।
মুগডাল অবশ্যই ভেজে নেবে। না হয় গন্ধ হবে। মসুর ডাল না ভাজলেও চলে।
ভাতের চালটা তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হলে সেটিও ভেজে নিতে পারে। এতে খিচুড়ি ঝরঝরে থাকবে।