১৭ জুলাই, ২০২৬
বিদেশ সফরে গেলে ক্রিকেটাররা ফুরফুরে মেজাজেই থাকেন। তবে বাংলাদেশ দল যেন এখন ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত। জিম্বাবুয়ে সফর এতটা কঠিন হবে, তা কল্পনাও করেননি কেউ। আর বাংলাদেশের পথ কঠিন করে তুলেছেন মূলত দুইজন-রিচার্ড এনগারাভা আর ব্লেসিং মুজারাবানি।
এই দুই পেসারকে কীভাবে সামলানো যায়- এই ভাবনায় রীতিমতো ঘুম হারাম বাংলাদেশের। টেস্টে ভুগিয়েছেন, ভুগিয়েছেন ওয়ানডে সিরিজেও। দুটো ট্রফিই উঠেছে স্বাগতিকদের হাতে। এবার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে এই দুই পেসারই মূলত হারিয়েছেন বাংলাদেশকে, চারটি করে উইকেট তুলে নিয়ে।
টাইগারদের অসহায়ত্ব স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের কণ্ঠে। স্বীকার করলেন অকপটে, এই দুই পেসারই সব পার্থক্য গড়ে দিচ্ছেন।
'টেস্ট সিরিজ থেকে শুরু করে, ওয়ানডে সিরিজেও, এমনকি এখানেও- আমরা এনগারাভা ও মুজারাবানিকে ভালোভাবে সামলাতে পারিনি। পুরো সিরিজে তারাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আরও পরিকল্পনা করে নামতে হবে।'
রিচার্ড এনগারাভার উচ্চতা ৬ ফুত ৬ ইঞ্চি। মুজারাবানি তো আরও দীর্ঘকায়, ৬ ফুট ৮ ইঞ্চি। বাড়তি উচ্চতার কারণে দুজনে বাউন্সও পান বেশি। এখন তা যে ধরনের উইকেটেই খেলা হোক না কেন!
সালাউদ্দিন জানান, 'জিম্বাবুয়ের যে ২ জন বোলার আছে, তারা যেকোনো উইকেট থেকে বাড়তি বাউন্স আদায় করে নিতে পারবে। কারণ তারা অনেক লম্বা। এটা পরের ম্যাচে আমাদের মাথায় রেখে খেলতে হবে। তারা দুজনই ৮ উইকেট নিয়ে গেছে। তাই তাদের দেখেশুনে খেলতে হবে। এখানে তারা বাড়তি বাউন্স পাচ্ছে। এই দুজনকে নিয়েই আমার চিন্তা। টেস্ট বলুন বা ওয়ানডে, এই ২ জনই আমাদের ভুগিয়েছে। তারা সত্যিই খুব ভালো বল করছে।'
তবে সালাউদ্দিন মানছেন, এই উইকেটে ১৭১ রান তাড়া করতে না পারা কোনোভাবেই মেনে নেওয়ার মতো নয়।
তিনি বলেন, 'উইকেট ভালোই ছিল, আমাদের দেশের উইকেটের মতো। ১৭১ রান তাড়া করার মতোই ছিল। তবে এনগারাভা ও মুজারাবানি সত্যিই অনেক ভালো বল করেছে। এই দুজনের বিপক্ষে আমরা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। এসব পরিস্থিতিতে আমাদের আরও স্মার্ট হতে হবে। তবে আমি মনে করি উইকেট যেমন ছিল, এই রান তাড়া করতে পারা উচিৎ ছিল।