২১ জুলাই, ২০২৬
ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের ক্ষত পেছনে ফেলে আর্জেন্টিনা ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে। ইতোমধ্যেই দলটি টুর্নামেন্টে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তারপরও আগামী বছর থেকে বাছাই ম্যাচে খেলবে আর্জেন্টিনা। কিন্তু কেন?
পরবর্তী বিশ্বকাপের আয়োজক হবে স্পেন, মরক্কো ও পর্তুগাল, পাশাপাশি উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। এরমধ্যে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অন্তত একটি করে ম্যাচ আয়োজন করবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে। তাই বিশ্বকাপে আলবিসেলেস্তেদের অংশগ্রহণ ইতোমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে।
তবে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বাছাইপর্বের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করেনি। কিন্তু কনমেবলের সভাপতি আলেহান্দ্রো ডোমিঙ্গেজ ঘোষণা দিয়েছেন যে ২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪টি দল অংশ নেবে। এটি সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ বিশ্বকাপের চেয়ে ১৬টি দল বেশি। কয়েকটি দল সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করায় দেখা দিয়েছে নতুন সমস্যা। শঙ্কা রয়েছেবাছাইপর্বের গুরুত্ব কমে যাবে।
এই পরিস্থিতিতে, সংস্থাটি উয়েফা নেশনস লিগের মতো একটি প্রতিযোগিতা চালুর কথা বিবেচনা করছে। এর উদ্দেশ্য হবে ২০২৮ কোপা আমেরিকার পাশাপাশি বিশ্বকাপ চক্রজুড়ে জাতীয় দলগুলো যেন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলতে পারে।
আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় থাকলেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত একমাত্র আনুষ্ঠানিক মন্তব্য এসেছে প্যারাগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রবার্ট হ্যারিসনের কাছ থেকে। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ২০৩০ বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছি, যেমন করেছে উরুগুয়ে ও আর্জেন্টিনা। বাছাইপর্বের চূড়ান্ত অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত বাকি স্থানের পাশাপাশি উয়েফার সঙ্গে একটি টুর্নামেন্ট—নেশনস লিগের মতো—আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যাতে আমরা তাদের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারি।