যে ১০ গাছ লাগালে বাড়ি ঠাণ্ডা থাকবে, পাখিও আসবে

১৮ আগস্ট, ২০২৬

গরমের দিনে বাড়ির আশপাশ ঠাণ্ডা ও সবুজ রাখতে গাছের ভূমিকা অনেক। বড় গাছ ঘন ছায়া তৈরি করে, বাতাস চলাচলে সাহায্য করে এবং কিছু গাছের ফুল ও ফল পাখিদেরও আকর্ষণ করে।

বাড়ির আঙিনা, বাগান বা খোলা জায়গায় লাগানোর জন্য এমন ১০টি গাছের নাম জেনে নিন।

১. নিমগাছ
নিম গাছ দ্রুত বড় হয়ে ঘন ছায়া তৈরি করতে পারে। গরম আবহাওয়ায় টিকে থাকার ক্ষমতাও ভালো। বাড়ির পাশে পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে এটি ছায়ার জন্য বেশ উপযোগী।

২. বটগাছ
বটগাছ বড় হয়ে বিশাল ছাউনি তৈরি করে। তাই বড় উঠান বা খোলা জায়গায় গরম থেকে স্বস্তি পেতে এটি দারুণ। এর ফল বিভিন্ন পাখির খাবার হওয়ায় পাখিও আকৃষ্ট হতে পারে।

৩. কদমগাছ
কদম গাছ দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং বড় হলে ভালো ছায়া দেয়।

বর্ষায় এর গোলাকার হলুদ ফুল পরিবেশকে আরও সুন্দর করে তোলে।

৪. রেইন ট্রি
দ্রুত বেড়ে ওঠা রেইন ট্রি প্রশস্ত ছাউনি তৈরি করে। বড় বাড়ির উঠান, মাঠ বা খোলা জায়গায় এটি গরমের সময় ভালো ছায়া দিতে পারে।

৫. আমগাছ
আমগাছের ঘন পাতার ছায়া গরমের দিনে বেশ আরামদায়ক। পাশাপাশি সুস্বাদু ফল পাওয়া যায় এবং আম পাকার সময় পাখিদের আনাগোনাও দেখা যায়।

৬. জামগাছ
জামগাছ বড় হয়ে ঘন ছায়া তৈরি করে। এর ফল মানুষ ও পাখি—দুইয়েরই পছন্দ। তাই বাড়ির বাগানে লাগালে ছায়ার পাশাপাশি পাখির আনাগোনাও বাড়তে পারে।

৭. কৃষ্ণচূড়া
লাল-কমলা ফুলের জন্য কৃষ্ণচূড়া খুবই জনপ্রিয়। এর ডালপালা ছড়িয়ে পড়ে প্রশস্ত ছাউনি তৈরি করে, যা গরমের দিনে ভালো ছায়া দেয়।

৮. কাঁঠাল গাছ
কাঁঠালগাছের পাতাগুলো ঘন হওয়ায় এটি ভালো ছায়া দিতে পারে। একই সঙ্গে পাওয়া যায় সুস্বাদু ফল। পাকা কাঁঠালের গন্ধ ও ফল বিভিন্ন প্রাণীকেও আকৃষ্ট করতে পারে।

৯. পেয়ারাগাছ
পেয়ারাগাছ তুলনামূলক ছোট হলেও ঘন পাতার কারণে বাড়ির বাগানে সুন্দর ছায়া তৈরি করতে পারে। ফলের কারণে বিভিন্ন পাখিও বাগানে আসতে পারে।

১০. কৃষ্ণচূড়ার পাশাপাশি রাধাচূড়া
রাধাচূড়াও দ্রুত বেড়ে ওঠা ও ছায়াদানকারী গাছগুলোর মধ্যে অন্যতম। হলুদ ফুলে গাছটি দেখতে আকর্ষণীয় হয় এবং বাড়ির চারপাশে সবুজ পরিবেশ তৈরি করে।

তবে মনে রাখবেন : গাছ ঘরের তাপমাত্রা সরাসরি অনেকটা কমিয়ে দেয়—এমন নয়। মূলত ছায়া, পাতার বাষ্পীভবন এবং আশপাশের পরিবেশ ঠাণ্ডা রাখার মাধ্যমে বড় গাছ বাড়ির চারপাশকে আরামদায়ক করতে সাহায্য করে। বাড়ির একেবারে গা ঘেঁষে বড় গাছ না লাগিয়ে ভবন, বৈদ্যুতিক তার ও শিকড়ের বিস্তারের কথা বিবেচনা করে উপযুক্ত দূরত্ব রাখা উচিত।