০৯ অক্টোবর, ২০২৩
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার কয়েকটি বাজারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান অবৈধ ভারতীয় নাসির পাতার বিড়ি ও ভারতীয় জীবন বিড়ি এবং নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত মিলন বিড়ি জব্দ করা হয়েছে। সোমবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট জেলা ও গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সরকারের মোটা অংকের টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে সিলেট জেলার বিভিন্ন বাজারে অবৈধ ভারতীয় পাতার বিড়ি এবং নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত কমদামী বিড়ি বিক্রি ও মজুদ করে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট এর সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে ভোক্তা অধিকার ও গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস টিম জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার গোয়াইনঘাট বাজার এবং কোওর বাজারে অভিযান ও তল্লাশি চালায়। বাজার দুটির মোট ১৫টি দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে বাজার থেকে তিন হাজার পাঁচশত (৩,৫০০) শলাকা অবৈধ ভারতীয় নাসির পাতার বিড়ি, এক হাজার (১,০০০) শলাকা অবৈধ ভারতীয় জীবন বিড়ি এবং ছাপান্ন হাজার পাঁচশত (৫৬,৫০০) শলাকা নকল ব্যান্ডরোলযুক্ত মিলন বিড়ি জব্দ করা হয়। অভিযান থেকে সর্বমোট একষট্টি হাজার (৬১,০০০) শলাকা নকল বিড়ি জব্দ করা হয়েছে। অভিযান শেষে জব্দকৃত অবৈধ বিড়ি ধ্বংস করা হয়েছে।
অভিযানে সাত ব্যবসায়ীর নিকট থেকে পয়তাল্লিশ হাজার (৪৫,০০০) টাকা নগদ জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযান চলাকালে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং ব্যবসায়ীরা ভবিষ্যতে আর নকল ব্যান্ডরোল যুক্ত অবৈধ কমদামি বিড়ি ও অবৈধ ভারতীয় পাতার বিড়ি বিক্রি ও মজুদ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
সিলেট ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আমিরুল ইসলাম মাসুদ জানান, অবৈধ ভারতীয় পাতার বিড়ি এবং নকল ব্যান্ডরোল ব্যবহার করে এসব বিড়ি ব্যবসায়ীরা দৈনিক বিপুল পরিমান টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে তাদের ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল। অভিযানে বিপুল পরিমান অবৈধ বিড়ি জব্দ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, নকলের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে। এছাড়া রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কেউ অবৈধভাবে বিড়ি বিক্রি ও বাজারজাত করলে তার বিরুদ্ধে আইননানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে