১১ অক্টোবর, ২০২৬
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, যেকোনো মূল্যে বন দখল বন্ধ করতে হবে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বন না থাকলে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে এবং মানুষ বা হাতি কিছুই বাঁচবে না। গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্য তৈরি ও পর্যটনের উন্নয়ন করা গেলে হাতি-মানুষ সংঘাত এবং বন দখল—উভয়ই বন্ধ হবে। সরকার এই দ্বন্দ্ব নিরসনে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে হাতি চলাচলের ছয়টি করিডোর তৈরির বিষয়ে আগামী ৩-৪ মাসের মধ্যে ভারতের সাথে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি জানান।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে অত্যন্ত সচেতন। তার নির্দেশেই এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়েছে। গারো পাহাড়ে হাতির অভয়ারণ্য করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী, পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলামসহ প্রশাসন ও বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিন মন্ত্রী হাতির আক্রমণে হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ১৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন এবং ৩২টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমকে (ইআরটি) জগলাইটসহ হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম প্রদান করেন। এর আগে তিনি গারো পাহাড়ে হাতির করিডোর পরিদর্শন করেন এবং বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলায় অনুরূপ একটি সভায় অংশ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চেক বিতরণ করেন। ঝিনাইগাতীর সভায় শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল উপস্থিত ছিলেন।