১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে কত কী-ই না করেছেন। তিসির বীজ বা ফ্ল্যাক্সসিড ব্যবহার করেছেন কি? এই বীজে চুলের প্রায় সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে। এতে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চুলকে ভেতর থেকে শক্তি জোগায়। চুলকে করে আরও ঝলমলে ও প্রাণবন্ত।
তিসিবীজ ব্যবহার করবেন যেভাবে
চুলের যত্নে তিসির বীজ মূলত তেল ও জেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। তিসির তেল বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। সাধারণ নারকেল তেলের মতোই এই তেল চুলের ব্যবহার করা হয়। আর জেল তৈরি করে নিতে পারবেন ঘরোয়া উপায়ে-
জেল তৈরি: এক কাপ পানিতে দুই টেবিল চামচ তিসির বীজ ফুটিয়ে নিন। পানির ঘনত্ব জেলের হয়ে এলে তা ছেঁকে নিন। তৈরি হয়ে গেলো তিসিবীজের ন্যাচারাল হেয়ার মাস্ক।
ব্যবহার: এই জেল চুলের গোড়া থেকে ডগা পর্যন্ত ম্যাসাজ করে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এর পর শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার করে নিন।
তিসিবীজের উপকারিতা
চুল পড়া রোধ ও নতুন চুল গজানো: তিসিতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চুলের ফলিকলকে শক্তিশালী করে। তিসির তেল অথবা বীজের তেল নিয়মিত ব্যবহারে চুল পড়া কমে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
চুলের রুক্ষতা ও ফ্রিজিনেস দূর করা: শুষ্ক ও প্রাণহীন চুলের জন্য এই জেল প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে। এটি আর্দ্রতা ফিরিয়ে এনে চুলকে করে রেশমের মতো মসৃণ।
খুশকি ও স্ক্যাল্পের ইনফেকশন দূর: তিসিবীজে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান মাথার ত্বকের চুলকানি, শুষ্কতা ও খুশকি দূর করায় অত্যন্ত কার্যকরী।
আগা ফাটা রোধ: তিসির ভিটামিন ই চুলের ইলাস্টিসিটি বা নমনীয়তা বাড়ায়। নিয়মিত তিসিবীজ ব্যবহারে চুল ভেঙে যাওয়া এবং আগা ফাটার সমস্যা কমে।
তাই চুলের সুরক্ষায় সপ্তাহে মাত্র ১-২ দিন তিসির বীজের মতো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করুন। এতে চুল পড়া কমে আপনার চুল হয়ে উঠবে আরও ঘন, দীর্ঘ, ঝলমলে।