০৭ নভেম্বর, ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি আহতের খবর পাওয়া গেছে। গুলির পর বিএসএফ সদস্যরা তাকে ভারতের অভ্যন্তরে ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি জীবিত নাকি মারা গেছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত মনিরুল ইসলাম হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত ইসলাম ওরফে নেংটের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় মনিরুল ইসলামসহ সাতজন সীমান্তের কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় যান। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের দেখতে পেয়ে গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়েন। এতে মনিরুলের পায়ে গুলিবিদ্ধ হয় এবং পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় সঙ্গে থাকা রাশেদ (৩২), আনিছ (৩৫), সোহান (২৫), শাওন (২৬), মিন্টু (৩৮) এবং মশিয়ার (৪০) পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিএসএফ সদস্যরা আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।
হরিহরনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য টিটু মিয়া জানান, সন্ধ্যার পরপরই সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের কাছ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে তিনি জানতে পারেন মনিরুল ইসলামকে বিএসএফ আহত অবস্থায় আটক করে নিয়ে গেছে। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ঘটনাটি তারা শুনেছেন। তবে প্রশাসনিকভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।