১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
প্রতিপক্ষ পুঁচকে ওমান, আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে যাদের অবস্থান প্রথম পাতার ঠিক শেষে, ২০ নম্বরে। এমন এক দলের বিপক্ষে র্যাঙ্কিংয়ের সাতের লড়াইটা যেমন হওয়া প্রয়োজন ছিল, পাকিস্তান ঠিক তাই করেছে। পুরো ম্যাচেই দাপট দেখিয়েছে ওমানের বিপক্ষে। ৯৩ রানে হারিয়েছে ওমানকে। তাতে এশিয়া কাপে তাদের শুরুটা হলো বেশ দাপুটে।
প্রথমে ব্যাট করে পাকিস্তান তোলে ৭ উইকেটে ১৬০ রান। শুরুটা ভালো হয়নি। পাঁচ ওভার শেষে দলীয় সংগ্রহ ছিল মাত্র ৩১ রান। সাইম আইয়ুব শূন্য রানে ফেরেন। ফারহানকে ২৯ বলে ২৯ রান করতে সংগ্রাম করতে হয়।
তবে ইনিংসের ধারা পাল্টে দেন মোহাম্মদ হারিস। ৪৩ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল দারুণ সব শট। ষষ্ঠ ওভার থেকে আক্রমণ শুরু করেন হারিস। একাই দলকে টেনে নেন সামনে। অমির কালিম তার উইকেট নিলেও কাজ হয়ে গিয়েছিল। শেষদিকে মোহাম্মদ নওয়াজের ছোট ক্যামিও ইনিংসে ১৫০ রানের ঘর পেরোয় পাকিস্তান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল ওমান। চতুর্থ ওভার শেষে তাদের রান ছিল ২ উইকেটে ২৭। পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে ছিল তারা। কিন্তু এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ। সাইম আইয়ুবের প্রথম বলেই বোল্ড হন ওমান অধিনায়ক জতিন্দর সিং। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেও উইকেট নেন তিনি। এরপর সুফিয়ান মুকিম ও আবরার আহমেদ মিলে ছিন্নভিন্ন করে দেন ওমান ব্যাটিং।
একপর্যায়ে ২ উইকেটে ৪১ রান থেকে হুড়মুড়িয়ে পড়ে ওমান। সাত উইকেট যায় মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে। ৫০ রানে যখন তাদের ৮ উইকেট পড়ে গেছে, তখন আর ম্যাচে ফেরার সুযোগ ছিল না। শেষ পর্যন্ত তারা অলআউট হয় ৬৭ রানে। পাকিস্তান তুলে নেয় ৯৩ রানের বিশাল এক জয়।
পাকিস্তানের হয়ে সুফিয়ান মুকিম নেন সর্বোচ্চ উইকেট। তার ঘূর্ণিতেই ভেঙে পড়ে ওমান।